নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন ?

রাজনৈতিক ডেস্ক(আজকের নারাযনগঞ্জ):  ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এসময় তাদের ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর)   বিকেলে রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেক শোরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সূচনা বক্তব্য দেন। এরপর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

লিখিত বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উদ্দেশে ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য তুলে ধরেন। এ সময় কূটনীতিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন ড. কামাল হোসেন।

এসময় কূটনীতিকরা ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের কাছে জানতে চেয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট জয়ী হলে পরবর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন। এ প্রশ্নের উত্তরে ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ড. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, আমাদের দেশে সংসদীয় পদ্ধতিতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন। আমরা ক্ষমতায় এলেও সেভাবেই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার দেয়া হবে কাউকে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, কাতার, ভিয়েতনাম, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা  উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও জমির উদ্দিন সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।বিএনপি, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, জেএসডি, গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য মিলে ১৩ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

নতুন জোটের আহ্বায়ক করা হয়েছে গণফোরামের সভাপতি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে। নতুন জোটের পক্ষে ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। এরইমধ্যে ঐক্যফ্রন্টটি জনসভার কর্মসূচি ঘোষণা হয়েছে।