অভিমানের ফাঁটলটি কিন্তু এবার অনেক বড়

শহিদ উল্লাহঃ (মতামত লেখকের সম্পূর্ণ  নিজস্ব ): সরকার বিরোধী আন্দোলন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী নেতৃত্বাধীন সরকার হটানোর পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি,ড:কামাল হোসেন, আ.স.ম আ: রব ও মাহমুদুর রহমান মান্নার দল নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে।আমাদের দল আওয়ামী লীগ মনে করে তাদের এই দুর্বল ঐক্য দিয়ে বিরোধীরা দাবি আদায় করতে পারবেনা।

বংগবন্দ্বুর সৈনিক হিসেবে আমরা জানি,জাতির পিতার কন্যা সব হারিয়ে,এমনকি অসংখ্যবার জীবন- মৃত্যুর অতি কাছে এসে রাজনীতিতে যে পরিপক্ব ও দূরদর্শী হয়ে ওঠেছেন,তারই ফলশ্রতিতে তিনি আজ বিস্বনেতা হয়েছেন।আমাদের বিশ্বাস আছে, তিনি এই অশুভ শক্তির মোকাবেলা করতে পারবেন তাঁর রাজনৈতিক বিচক্ষনতা দিয়ে।আমাদেরকে ভুলে গেলে চলবেনা যে দেশে দু’টি দল আছে; একটি আওয়ামী লীগ আর অপরটি হল এন্টি আওয়ামী লীগ দল।

এখানে আমাদের মতো ক্ষুদ্র চিন্তার মানুষ মনে করি,বিএনপির সাথে জামাত আছে,’আছে কিছু বিদেশী শত্রু ও।আমাদের কিছু নেতারা, এম.পি,আর মন্ত্রীরা এমন আহাম্ভরী কিছু আচরণ করেছেন যে,তাঁদের কীর্তি কলাপে বংগবন্দ্বুর সৈনিকেরা অনেক দূরে সরে গেছেন দলকে গুডবাই জানিয়ে।তাদের এই অভিমানের ফাঁটলটি কিন্তু এবার অনেক বড়।

এর সাথে সাথে আমাদের এটাও চিন্তা এবং স্বীকার করতে হবে যে,জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বেশ কিছু মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি/ নেতা আছেন যারা বিএনপি ও জামাত জোটের শক্তি নিয়ে মাঠে নেমে সাধারণ ও নীরিহগোচের মানুষদের সমর্থন নিয়ে বিজয়ী হতে পারেন শুধুু এটা দেখিয়ে যে আমাদের কিছু নেতাদের আচরণ আর দলীয় সরকারের শক্তিতে বলিয়ান হয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েই ঐ নেতারা শুধু ক্ষান্ত হন নাই,অনেক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে দলকে জনগনের কাছ হতেই কেবল নয়, কর্মীদের কাছ হতেও যোজন যোজন দূরে নিয়ে গেছেন।

এই শ্রেনীর নেতা নন তাদের স্হানে , সৎ,ত্যাগী,নেতাদের নমিনেশন দিয়েই সেই অপশক্তির সব কটি দাঁত ভেংগে দেয়া যাবে, অন্যথায় দলের সমূহ বিপদ হতে পারে, তা হলফ করেই বলা যায়।কারন অতি আত্মবিশ্বাশ বিনাশই আনয়ণ করতে পারে; বিজয় নয়।এটাও দলকে মনে রাখতে হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।জয় বাংলা,জয় বংগবন্দ্বু। (শহিদ উল্লাহ,দূর্দিনের প্রায় তিন যুগের সাধারণ সম্পাদক, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ ও বর্তমান সদস্য,নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ।)