মতলব উত্তরে ব্যাস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:   নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা বলে দেয় দেবী দূর্গার আগমনী বার্তা। আর এ জন্য প্রস্তুতি চলছে সর্বত্র। চাঁদপুরের মতলব উত্তরে এবার ২৯টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরির ব্যাস্ততা বেড়েছে। বছরের অন্য সময় খুব একটা চাহিদা না থাকলেও প‚জার সময়টুকুু প্রতিমা কারিগরদের কর্মব্যাস্ততা বাড়ে কয়েকগুণ।

দরজায় কড়া নাড়ছে দেবী দূর্গা। ভক্তদের আহবানে সাড়া দিয়ে দেবীর আগমনে শষ্য উৎপাদন হবে, হবে শান্তি প্রতিষ্টা।

উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু প্রতিমা তৈরিতে ব্যাস্ত কারিগররা। বিচালি ও কাদামাটি দিয়ে দেবীর প্রতিমা তৈরিতে এখন ব্যাস্ত তারা। পরম যত্নে তৈরি করছেন দেবী দুর্গা, সরস্বতি, কার্তিক, গনেশসহ বিভিন্ন প্রতিমা।

ছোট মন্ডপের প্রতিমার দাম পড়বে পঁচিশ থেকে তিরিশ হাজার টাকা। আর বড় মন্ডপের প্রতিমার দাম পড়বে পঞ্চাশ হাজার থেকে ষাট হাজার টাকা। বছরের অন্যান্য সময় তেমন একটা প্রতিমা তৈরির কাজ না থাকলেও এ সময়টা কাজ করে তা পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন কারিগররা।

মায়ের আগমনে বিশ্ব মঙ্গলময় হোক এমনটাই প্রত্যাশা করছেন পুরোহিত বলরাম গোস্বামী। সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে জানালেন পূজা উদযাপন কমিটির প্রভাত চন্দ্র ভৈৗমিক।

মতলব উত্তর উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক শ্যামল কুমার বাড়ৈ জানান, পূজামন্ডপে নিরাপত্তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে। এবারের শারদীয় দ‚র্গা পূজা সবার কাছে আনন্দময় ও সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হবে। কোন প্রকার জঙ্গি হামলা ছাড়াই যেন প‚জা শেষ করতে পারে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের সনাতন ধর্মাবলম্ব^ীদের।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপ‚র্ণ পরিবেশে এ ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

মতলব উত্তর থানার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, মন্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশের সাথে আনছার ভিডিপিসহ আইন শৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। পুলিশ ও আনসারের চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া সকল পূজা কমিটির সঙ্গে পুলিশের রয়েছে সার্বক্ষণিক যোগাযোগও থাকবে।’

মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান কল্যাণ সমিতির সভাপতির সভাপতি আলহাজ্ব সামছুল হক চৌধুরী বাবুল দূর্গাপূজায়  হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, মন্ডপলোতে পূজা উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকেও সার্বিক নজরদারি রয়েছে। যাদে কেউ পূজামন্ডপে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে।