নবীন-প্রবীনের সমন্বয়ে স্বপ্নের মতলব গড়ে তুলবো -দীপু চৌধুরী

মো. দ্বীন ইসলাম, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসন মতলব উত্তর-দক্ষিণ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি মতলবে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। একের পর এক উঠান বৈঠক করছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু জ্ঞানী ও নিরহঙ্কারী একজন মানুষ। ব্যক্তি জীবনে সফলতা তাকে আপাদমস্তক মোড়ে দিয়েছে। যিনি রাজনীতি ও সমাজসেবায় পরমান্দ পান। নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান মানব সেবায়। শিক্ষাবিদ, জন হিতৈষী রাজনীতিবীদ দীপু ছেংগারচর সরকারী ডিগ্রী কলেজ গভার্ণিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

মতলববাসীর সাথে নিবীড় সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিশীল দীপু প্রতিভাবান রাজনীতিবিদ হিসেবে গণমানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহধন্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অনেক গুরুত্বর্পূণ দায়িত্ব পালন করছেন।

চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর-দক্ষিন সংসদীয় আসনের আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ’সহ ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের প্রত্যেক নেতাকর্মীর হৃদয়ের স্পন্দন সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু জনমানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন সুদীর্ঘ সময় ধরে।

বাংলাদেশের আপামর জনতার প্রিয়মুখ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় দীপুর রাজনৈতিক পথ পরিক্রমায় অন্যতম প্রেরণা বলে তিনি জানান। মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু।

মতলবের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী এই রাজনীতিক নিজ এলাকার প্রিয় মানুষগুলোর ভাগ্য উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল জীবনের বা¯Íবিক স্বপ্ন দেখেন। মতলবকে গড়ে তুলতে চান শিক্ষার ভান্ডার, কৃষির বিপ্লব, শিল্প সমৃদ্ধ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পর্যটন কেন্দ্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে দেশের মডেল উপজেলার মাস্টার প্ল্যানে।

আধুনিক এই মাস্টার মাইন্ড মনে করেন, জনপ্রতিনিধিরা সদিচ্ছা নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করে গেলে এলাকার সামগ্রিক চিত্র পাল্টে যাবে। আধুনিক ও সমৃদ্ধ মতলবের রূপকল্পক সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন লাভে দৃঢ় প্রত্যাশী। তরুণ ও যুব সমাজকে কাজে লাগিয়ে নবীন এবং প্রবীনের সমন্বয়ে গড়ে তোলবেন স্বপ্নের মতলব।
আপন ভূমির প্রিয় মানুষের মুখগুলো তাকে সর্বদাই টানে। ছুটে যান তাদের আহবানে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের একজন অগ্রণী সৈনিক সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু।

সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু বলেন, নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছি। এই জনগোষ্ঠীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন তার অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। বাংলাদেশের আইকন সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরীতে তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে অগ্রণী ভ‚মিকা রাখছেন।

দীপু রাজনীতির হাতেখড়ি লাভ করেন তাঁর পিতা একাধীকবারের মন্ত্রী ও ঢাকা মহানগর আ’লীগের ২ যুগের ও বেশী সময়কালের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম কাছ থেকে।

চাঁদপুর-২ আসন নিয়ে নিজের স্বপ্ন তুলে ধরে দীপু বলেন, এ এলাকায় আমার জন্ম। এখানেই আমি বড় হয়েছি। মতলবের কাঁদা-মাটির সাথে আমি জড়িত। আমি জানি এ এলাকার সাধারণ মানুষ, কৃষকরা কি চায়, ছোট ব্যবসায়ীরা কি চায়, শিক্ষক-ছাত্র কি চায়? কি হলে তাদের ভালো লাগবে? আমি তা জানি।

আমি কোনো আত্মকেন্দ্র্রিক রাজনীতির পক্ষে না। আমাকে যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দেন তাহলে আমার কাজ হবে ৩৬৫ দিনের মধ্যে ২৬৫ দিন। যেখানে আমার জন্ম, যে মাটিতে আমি বড় হয়েছি, যেখানের মানুষের সাথে আমি কাজ করে যাচ্ছি, যাদের সঙ্গে আমি পড়াশুনা করেছি তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবো।

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি গত ২০ বছর ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আমি নিজেই তৃণমূলের একজন। সুতরাং তৃৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলেয়ে কাজ করার অভ্যাস রয়েছে। এ অভ্যাসের কারণেই আমি আশাবাদী তৃণমূলের শতভাগ লোক আমাকে চাইবে। আমার নেতৃৃত্ব গ্রহণ করবে। জীবনের শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেছেন তিনি।

তারই আদর্শ বুকে ধারণ করেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশিত পথে চলছেন সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু। পারিবারিকভাবে ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগের আদর্শ, নীতিকে অনুসরণ করেছেন তিনি। এবং পরিবারের সব সদস্যই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান তিনি। দীপু নিজের গুণাবলী দিয়েই তৃৃণমূল এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন সুসম্পর্কের বন্ধন। বাংলাদেশকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে চাঁদপুর-২ আসনের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান তিনি।