সুুসময় ও দুুঃসময়ে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকবে : ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

মো. দ্বীন ইসলাম, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্কের সোনালী সময় পার করছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা। শুক্রবার রাতে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরে ত্রাণ মন্ত্রী মায়া চৌধুরীর আমন্ত্রণে এসে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের দুুই দেশের সম্পর্ক চরম উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। সুসময় ও দুঃসময়ে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকবে। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দুুইজাতির বন্ধনের আদর্শ। আর ভারত সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করতে বেশ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৫ বছরের জন্য মাল্টি এন্ট্রি ভিসা প্রদান, বিনামূল্যে চিকিৎসা, সন্তানদের জন্য ৫৬ কোটি টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রকল্প অনুমোদনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত সরকার।’
শ্রীংলা বলেন, বর্তমানে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্ত্রী মায়া চৌধুরীরও বিশেষ চেষ্টা আছে। তাই আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আজকে আমি এত সুন্দর পরিবেশে সমবেত হতে পেরেছি। তাই মতলবে আমাকে আমন্ত্রন জানানোর জন্য ত্রাণ মন্ত্রী মায়া চৌধুরী, তার পরিবারবর্গ এবং সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। রাত ৯ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হলে তিনি অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং রাত সাড়ে ১১ টায় নৈশ্য ভোজ শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চযোগে যাত্রা করেন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) এমপি। তিনি বক্তব্যে বলেন, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক শক্তিশালী ছিল আগামীতেও থাকবে। বর্তমানে ভারত আমাদেরকে অনেকভাবে সহযোগীতা করছে। রোহিঙ্গা ইস্যু টেনে তিনি বলেন, আমি ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে গিয়েছিলন রোহিঙ্গাদের লাকড়ি সমস্যা নিয়ে। তিনি দ্রুত নিজ দেশের সাথে কথা বলে ২০ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারকে ষ্টোভ ও কেরোসিনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এভাবে প্রতিটি কাজে সহযোগী চাইলে ভারত আমাদেরকে সহযোগীতা করছে। এজন্য আমি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান, এসপি মো. জিহাদুল কবির, আওয়ামীলীগ নেতা সাজেদুল হোসেন চৌধুরী, দিপু, ব্যবসায়ী নেতা মো. রাশেদুজ্জামান রনি চৌধুরী, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার, মতলব দক্ষিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিদুল ইসলাম’সহ স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।