ফারমার্স ব্যাংক এখন নিজস্ব গতিতে চলছে – ব্যবস্থাপনা পরিচালক

 মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : দি ফারমার্স ব্যাংক লিঃ এর মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজার শাখার উদ্যোগে ব্যবসা উন্নয়ন ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় শাখার অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এহসানুল হক খসরু।
তিনি বলেন, দি ফারমার্স ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের কারণেই ধ্বস হয়েছিল। এখন তা কেটে উঠেছে। সরকার মালিকানাধীন ৫ টি ব্যাংক ফারমার্স ব্যাংককে অর্থ দিয়েছে। ৬৪ শতাংশ মালিকই এখন সরকার। গ্রাহকের আছে প্রায় ৮-৯ শ’ কোটি টাকা আছে। তাই গ্রাহক কোনরকম হয়রানিতে পারবে না। ব্যাংক এখন নিজস্ব গতিতে চলছে। এখন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ অনেক শাক্তিশালী। তাই ব্যাংক এখন পিছনে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
এমডি এহসানুল খসরু আরও বলেন, তিনি বলেন কয়েকটি দেশে আমি ব্যাংকি কাজ করেছি। ব্যাংকি পুনঃসংস্কার করা আমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই সরকার আমাকে ফারমার্স ব্যাংকের দায়িত্ব নিতে বলেন। আমাদের সারাদেশে ৫৭ টি শাখায় প্রায় দেড় লাখ গ্রাহক রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুরোধে এ গ্রাহকের দায়িত্ব আমি নেই। সুতরাং গ্রাহকের সেবা পেতে কোন রকম অসুবিধা নেই। ব্যাংকে পর্যাপ্ত টাকা আছে। কাউন্টারে যাওয়ায় মাত্রই গ্রাহকে অনার করা হবে। তিনি বলেন, আমি ব্যাংকটির সব কিছু পরিবর্তন করতে চাই। আগামী জানুয়ারীর মধ্যে ব্যাংকটির নতুন নামকরণ করা হবে। এ নিয়েও আমরা কাজ করছি। সকল বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে আমরা আস্থার জায়গায় চলে এসেছি। আগামী ৩ বছরের মধ্যে দেশের সবচেয়ে নিরাপদ এবং গতিশীল ব্যাংক হবে ফারমার্স ব্যাংক। তাই সকল গ্রাহকের প্রতি আহবান জানাই ব্যাংকি ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যে সকলেই সহযোগীতা করবেন।
ডিএমডি মো. মোতালেব পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ নাঈমুল ইসলাম এবং ট্রেইনি সহকারি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, এএমডি (সিআর) মো. আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফুল ইসলাম সরকার ইমন। আরো বক্তব্য রাখেন, দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান আবুল খায়ের, সুজাতপুর নেছারিয়া উবির প্রধান শিক্ষক মো. শাহজালাল, মমরুজকান্দি সপ্তগ্রাম উবির প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম, গ্রাহক মো. আলমগীর হোসেন, মো. আলম, জাকির হোসেন ও রাজিয়া খাতুন প্রমুখ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমডি এহসানুল হক খসরু বলেন, গ্রাহকদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আমরা অধিক আস্থার জায়গা পৌছে গেছি। গ্রাহকরা এখন নিশ্চিন্তে সেবা গ্রহন করতে পারছে। নতুন নাম করণে ব্যাংক এবং গ্রাহক উভয়ের ভাল হবে, কারো ক্ষতি হবে না। পূর্বের সকল কাগজপত্র দিয়েই চলতে পারবে। নতুন নামকরণের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।