দশ তারিখের মধ্যে আইসা জয়েন করেন,এরপর নো চান্স’

রাজনৈতিক ডেস্ক(আজকের নারায়নগঞ্জ):  ৯১ থেকে ৯৬ এর অত্যাচার, ২০০১-০৬ এর অত্যাচার, নিপীড়ন, কর্মীদের মারপিট, ঘরে ঢুকে রেপ করা, ঘর থেকে কর্মী নিয়ে মেরে ফেলা এসব কিন্তু ভুলে যাই নাই। ক্ষমা করেছি কিন্তু ভুলে যাই নাই। কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন না। কোন ব্যালেন্স কাজ হবে না।

আমি শামীম ওসমান বলবো, না, না, ও আমার সাথে ছিল, ও আমার বিয়াই লাগে। কোন বিয়াই, বিয়াই টিকবে না। আপনি অনেক বড় নেতা আর আপনার ভাই আইসা ঝামেলা করবে? আপনার ভাইকেও ছাড় দেবো না। দরকার হইলে আপনি চলে যান আমার আপত্তি নাই। ডুয়েল গেম খেলতে দিবো না। এই লড়াই দেশকে বাচানোর লড়াই।

বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১২টায় মাসদাইরে অবস্থিত বাংলা ভবনে এক কর্মীসভায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা ১০ বছর যাবত ক্ষমতায় আছি। তাই অনেকেই দলের ভিতরে ঢুইকা গেছে। তারা সারাদিন তজবি পড়ে খালেদা, খালেদা আর আমাদের সামনে আইসা কয় শেখ হাসিনা। আমার অনেক নেতাকর্মী ভাত খাইতে পারে নাই তারা ঠিকই মাখন রুটি খাইয়া চইলা গেছে। এরা ঠিক সময় মতো ছোবল মারার চেষ্টা করবে। এদের আইডেনটিফাই করার দরকার। যদি ভালো হয়ে থাকেন তাহলে দশ তারিখের মধ্যে আইসা জয়েন করেন। এরপরে নো চান্স। এগারো তারিখে আর নেবো না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারন সম্পাদক এম শওকত আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মো. মোহসিন মিয়া, মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহ্সানুল হক নিপু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাফেল প্রধানসহ ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জের শত শত নেতাকর্মী।