মিয়া-বিবি রাজী, কি করবে পুলিশ আর কাজী ?

ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ): মিয়া-বিবি রাজী, সেখানে কি করবে পুলিশ আর কাজী ?এর উপরে উভয়েই যদি হয় প্রাপ্তবয়স্ক ! এমনি পরিস্থিতিতে  নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় প্রেমিক-প্রেমিকাকে বিয়ে দিয়ে ঘর-সংসার করার সুযোগ করে দিলো ফতুল্লা মডেল থানা  পুলিশ । উপায়ন্তর না দেখে দুই পরিবারের সদস্যদেরও বিয়ের পর্ব টি মেনে নিতে বাধ্য হতে হলো।

৩ অক্টোবর বুধবার রাতে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে ৩ লাখ এক টাকা দেন মোহরানা ধার্য করে বিয়ে পড়ানো হয়।
বর হলেন মো. শুভ (২৫) ও করেন সাহারা (২০)। উভয় ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ পাওয়ার পরে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শাফীউল হাজির হোন ছেলের বাসায়। ছেলেকে না পেয়ে অভিযোগের বিষয়টি ছেলের পরিবারকে অবহিত করে ছেলেসহ থানায় এসে হাজির হতে বলেন।কিন্তু প্রথম অবস্থায় ছেলেকে ছাড়াই পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে হাজির হলে  তদন্ত কর্মকর্তা পরিবারকে আবারো বলেন ছেলেকে নিয়ে আসেন।

অতপর ছেলেকে নিয়ে আসলে জিজ্ঞেস করা হয় সম্পর্কের কথা। ছেলেও অকপটে স্বীকার করলে জানতে চাওয়া হয়, তুমি কি করতে চাও,ছেলে বলে আমি বিয়ে করবো,ছেলেও মেয়ে উভয়েই প্রাপ্তবয়স্ক,তাহলে আর বাধা কিসের,সাথে সাথেই দুই পরিবারের সাথে কথা বলে বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে নিলেন এসআই শাফীউল ও এএসআই তাজুল ইসলাম।

ফোন করলেন এনায়েত নগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানকে,বললেন আপনার উপস্থিতিতে বিয়ে হবে,চেয়ারম্যান সাহেবও থানায় আসলেন,উভয় পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত হলেন,কাজি ডাকা হলো,মিষ্টি ও আনা হলো,অবশেষে ৩লক্ষ এক টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে সম্পুর্ণ হলো

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শাফিউল আলম বলেন, ;ওসি স্যারের অনুমতিক্রমে ও এএসআই তাজুল ইসলাম সহ সকলের উপস্থিতিতে কাজী ডেকে এনে মিষ্টি মুখ করিয়ে দুই যুবক যুবতীর মধ্যে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী ৩ লাখ এক টাকা দেন মোহরানা ধার্য করা হয়। সকালের প্রার্থনা যাতে এ দুইজন সুখী জীবন যাপন করে।