সোনারগায়েঁ গলাকাটা ঝুলন্ত ২ লাশের পরিচয় সনাক্ত,আটক ৩

সোনারগাঁ(আজকের নারায়নগঞ্জ):  সোনারগাঁ সোনাপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা গলাকাটা লাশটি এক কবিরাজের এবং ঝুলন্ত লাশটি হচেছ তারই শিষ্যের। নিহতদের পরিচয় হচ্ছে – নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামনিয়া এলাকার দুলু মাহমুদের ছেলে মজুন মিয়া (২৭) ও জোরাবালি এলাকার মিনারুল ওরফে মিনু (২৮)।

বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সোনারগাঁ উপজেলার সোনাপুর থেকে তাদের লাশ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এঘটনায় ভাড়াটিয়া লায়লী, তার স্বামী এহসান ও তাদের ছেলে বাদশাকে আটক করার সংবাদ নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে দু’জন খুন হয়েছে তাদের মধ্যে একজন কবিরাজ এবং অন্যজন তার সহযোগী। তারা দু’জন মঙ্গলবার রাতে নীলফামারী থেকে লায়লী বেগমের বাসায় আসে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তবে নিহত দুজনের সাথে আটক লায়লী বেগমের সম্পর্কের বিষয়টি এখনো স্পষ্ট হয়নি। তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক মো. সেলিম মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার সোনাপুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধারসহ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার রাতে যেকোনো সময় একজনকে হত্যার পর অন্যজন আত্মহত্যা করতে পারে অথবা দুইজনই খুন হয়ে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে মজনু ও মিনু ওই বাড়িতে লায়লী বেগমের (৩৫) ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসেন। মজনু ছিলেন লাইলীর পূর্বপরিচিত। নীলফামারীতে পাশাপাশি গ্রামে তাদের বাড়ি। মিনু সম্ভবত মজনুর বন্ধু।

ধারণা করা হচ্ছে মিনুকে গলাকেটে হত্যার পর মজনু গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অথবা তাদের দুইজনকে অন্য কেউ হত্যা করে থাকবে।

এদিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ মামলা দায়ের করেনি।