ফতুল্লায় বিএনপির ১৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা,গ্রেপ্তার ৬

স্টাফ রিপোর্টার((আজকের নারায়নগঞ্জ) : জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ আলম, সহ সভাপতি আজাদ বিশ্বাস ও বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক লূৎফর রহমান খোকাসহ বিএনপির ১৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফতুল্লা থানা পুলিশ। এ মামলায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার এজাহারে নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই মামলাটি দায়ের করেন ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসঅই) কাজী এনামুল হক।

মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নাজমুল ইসলাম, মো. রাকিব হোসেন, মো. আশিকুর রহমান ফাহিম, ইব্রাহিম, মেহেদী হাসান মিলন ও ইয়াসিন আরাফাত বাধন। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১০ টি অবিস্ফোরিত ককটেল, ৩০টি লোহার রড, ২৭টি বাঁশের লাঠি এবং গাড়ির ভাঙা কিছু কাঁচের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলা দায়ের ও আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কদের।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দেড় থেকে দুইশ বিএনপির নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে জেলা ছাত্রদল সভাপতি মশিউর রহমান রনির মুক্তির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের মাহমুদপুর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় বিভিন্ন যানবাহন ভাঙচুর করে তারা। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ওই ৬ জনকে আটক করা হয়।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন খন্দকার, ফতুল্লা থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি একরামুল কবির মামুন, যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন লাভলু, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শাহ আলমের ব্যক্তিগত সহকারি বোরহান উদ্দিন বেপারী, অ্যাড. মাহবুব, ছাত্রদল নেতা শাজাহান, সেলিম চৌধুরী কমল, নুর মোহাম্মদ, কায়েস আহম্মেদ পল্লব, জাবেদ, শরিফুল ইসলাম মানিক, আবুল হোসেন পায়েল, নিলয়, মো. সোহাগ, মো. সোহেল, মো. মোক্তার হোসেন, মো. আরিফ, স্বপন চৌধুরী, গাজী নূরে আলম, মোসলেম উদ্দিন মুসা, ওয়ালি উল্লাহ খোকন ওরফে মাষ্টার খোকন, নজরুল ওরফে ধুলা নজরুল, আমিনুল ইসলাম জুয়েল, ফতুল্লা ইউনিয়ণ বিএনপির সভাপতি হাজী আবুল হোসেন, রফিক, সাগর সিদ্দিকী, এনামুলসহ অজ্ঞাত আরো ১২০ থেকে ১৪০ জন।