কারবালা যখন বুকের জমিনে!

এমদাদুল হক মিলন
=================================
নবীর(স) কলিজার টুকরা মা ফাতেমা(রা),
সবচেয়ে কম বয়সের মুসলমান হযরত আলী(রা)
তাঁদের নয়নের মনি,নবীর(স) দোহিত্রের কথা।
সবাই জানেন তবুও বলি আজ যে পবিত্র আশুরা,
বৃক্ষ নদী সাগর দিঘি বনের পশুরাও করে কান্না!

সেদিন এজিদের কার্যকলাপ আজও বিঁধে আছে,
মায়ের কোল খালি নবীর বংশ করলো ধ্বংস
এজিদ আর শীমার আশুরার দশে উভয়ে মিলে ।।

আজও কাঁদে ফুরাত নদ হাহাকার করে প্রান্তর,
নির্মম ভাবে খচ্চর চালিয়েছে শীমার সেদিন
হুকুম দিয়েছে শীমার নবীর বংশ করতে বিলীন!

কাঁদে দুনিয়া কাঁদে মায়ের মন কাঁদে দয়াল নবী
মা ফাতেমা(রা) কাঁদে ওপার থেকে করে গড়াগড়ি!

যে নবীর(স) জন্য তৈরী করলেন খোদা ভব-জগৎ,
সেই নবীই সইলো কত দুঃখ কষ্ট সারাজনম ভর!

পানির জন্য ইমাম হোসেন(রা) কারবালার প্রান্তরে,
নিজ স্বজাতি হলো শহীদ একে একে সামনে
চোখের সামনে এসব দেখে শমসের হাতে ছুটে চলে

নাঙ্গা শমসের বুকেতে সাহস আল্লাহ আছেন সহায়
তবুও নবীর বংশ হলো ধ্বংস গিয়ে কারবালায়!

রক্তের বন্যায় হাবুডুবু খায় দয়াল নবী দেখে,
বেহেস্তে যুবকদের সর্দার প্রান বাঁচাতে ছটফট করে!

হায় ইমাম! হায় ইমাম! বলে মুসলিম উম্মাহ কাঁদে।।

সেই আশুরা এই আশুরা যদিও হয় কিছুটা তফাৎ
তবুও কাঁদে সারাবিশ্ব দুনিয়া ও আসমান।

মরুর বুকে তাজা রক্তের বন্যায় ভেসে যায় সবে,
এত ত্যাগের বিনিময়ে আজ মুসলমান রয় টিকে।

ওহে মুসলমান! হও সচেতন কেন হাটো দাম্ভিকতায়,
মরনের ভয় দীলে রাখো ধ্বংস হবে সবি আশুরায়!

১০ই মহররম সৃষ্টি হলো পৃথিবী ধ্বংসও হবে এদিনে
কতশত ঘটনা ঘটেছে ভবেতে লেখা আছে ইতিহাসে।

বুকেতে রেখে নবীর(স) ভালবাসা ডাকো খোদাকে,
আখেরে পাবে বদলা তাহার দুনিয়াতেও কিছু মিলবে।

কারবালার ঘটনা বুকেতে করে লালন ঝরাও বারি,
আল্লাহর হুকুম কর পালন হও সকলে জান্নাতি ।।