গ্রেফতারকৃত ছাত্রদল নেতা রনিকে নিয়ে বিএনপির শঙ্কা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ  নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনির হঠাৎ গুম ও গ্রেপ্তারের সমালোচনা করে নারায়নগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির ও সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, রনিকে রাজধানীর আরামবাগ এলাকা থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় এবং তাকে ১৭/১৮ ঘন্টা গুম করে, অবরুদ্ধ রেখে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। কিন্তু পরবর্তীতে রনির গুমের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে তারা তাদের অপকৌশল ঢাকা দেওয়ার জন্য রনিকে উঠিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে পরের দিন নির্লজ্জ ভাবে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ মিথ্যা নাটক সাজিয়ে রনিকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার দেখায় যা বাংলাদেশের কোন মানুষ বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেনি।
কাজী মনিরুজ্জামান মনির ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ রনিকে রিমান্ডে নির্যাতন বন্ধ এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ দাবী জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে ভীত হয়ে নেতা-কর্মীদের নামে প্রতিনিয়ত মিথ্যা গায়েবী মামলা দায়ের করছে এবং অপকৌশল এর মাধ্যমে গ্রেপ্তার নাটক সাজিয়ে জেল-জুলুম ও নির্যাতন করে মানসিক শক্তি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে তারা দাবি করেন।
তারা বলেন, সরকার মনে করেছে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ বিএনপির অঙ্গ-সংগঠন এর লড়াকু নেতা-কর্মীদের উপর নির্যাতন এর স্টিম রোলার চালিয়ে বিএনপির মনোবল ভাঙ্গতে পারবে। সেই সাথে সাথে তারা এইও ভেবেছে যে এইভাবে প্রশাসনিক পেশিশক্তি ব্যবহার করে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় সরকার এর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায়ের আন্দোলন থামিয়ে দিয়ে আরেকটি ভোট বিহীন প্রহসনের নির্বাচন সাজিয়ে আবারো বাংলাদেশের ক্ষমতা কুক্ষিগত করবে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা লক্ষ্য করছি যে, নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রশাসন সরকারের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনিকে অমানসিক নির্যাতন করছে ।
তারা অভিযোগ করেন, অস্ত্র প্রাপ্তির মিথ্যা স্বীকারোক্তীর নামে মিথ্যা নাটকের অবতারনা করে রনিকে বার বার রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে। অস্ত্র উদ্ধারের নামে গভীর রাতে আশংকাজনক উদ্ধার অভিযানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিবৃতিতে তারা প্রশাসনের অমানবিক আচরন এবং রনির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শংকা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।