আমরা দুই ভাই মিলে আঙুলের টোকা দিলে যাবি কইরে?

আজকের নারায়নগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম সেলিম ওসমান বলেছেন, আমি যথেষ্ট পরিমাণ সুযোগ দেই। কখনো ভাই হই, কখনো দুলা ভাই হই, কখনো নেতা হই। আপনারা এখনো সেলিম ওসমানকে দেখেন নাই। আমি ওসমান পরিবারের সবচেয়ে খারাপ ছেলে।

তিনি বলেন,আমাদের পরিবার নিয়ে যারা খেলছে তাদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা জানি কারা খেলছে। আজমেরী ওসমান আমার জান। ভাবী আমার মায়ের মত। যারাই আমার পরিবার নিয়ে লেখছেন তাদের কোন ছাড় দিব না। কেউ কেউ পেছন থেকে কলকাঠি নাড়তাছেন। এসব বন্ধ করেন।

এমপি সেলিম ওসমান বলেন,রাজনীতি কি জিনিস আমি তা জানি। আমি অনেক মাফ করেছি আর করবো না। লেবু চিপে খেয়ে ফেলবো। আমার পরিবারকে নিয়ে যারা খেলছেন তারা আর খেইলেন না। সেলিম ওসমান অনেক কিছু জানে। খবর আছে, এটা মুক্তিযোদ্ধার হাত। আমরা দুই ভাই মিলে আঙুলের টোকা দিলে যাবি কইরে? ওসমান পরিবারকে নিয়ে খেলতে এসো না।

বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা লিংক রোাডের ফতুল্লা খানসাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল (নম) পার্কে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু জাহের, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ শানু, জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী আঞ্জুমান আরা ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক আলেয়া বেগম, জেলা শ্রমিক পার্টির সভাপতি আবুল খায়ের ভূইয়া, সাধারন সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, গোগনগর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজী মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মকবুল সওদাগর, মদনপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি খালেদ হাসান ভূইয়া, সাধারন সম্পাদক গোলাম হোসেন, ধামগড় ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামালউদ্দিন, সাধারন আলাউদ্দিন মিয়া, নাসিক ১৮ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস আজাদ, নাসিক ২৫ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি শরীফ হোসেন শাহ্, জেলা তরুন পার্টির সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন মানু প্রমুখ।