স্বপ্ন

– মহুয়া বাবর

ঘর থেকে দশ কদম পা রেখে চলি পরম বিশ্বাসে
চেনা পথ ধরে পুরোনো বটের নিচে শ্বাস ফেলি আশ্বাসে
রঙিন ক্যানভাসে চোখ জুড়ে যায়।
তবু ভাবনার ঘরে থাকে সংশয়!
পৌরাণিকের চৌহদ্দী মাড়িয়ে নতুন অভিধানে পা চলে না।
নিত্য নতুন পোশাকের আড়ালে থাকা
এই আমিকে যেনো কিছুতেই পাল্টাতে পারি না।

বন্ধ কুঠুরি খুললেই পাই আটপৌরে দালানের গন্ধ।
ছায়া সুনিবিড় বড় দিঘীর জলের সেই লাল পদ্ম।
যদিও বা সেখানে বেঁচে নেই আর কোনো চিহ্ন!
পরশীদের আড্ডা-গুণীজনের জ্ঞানী কথা!
পুরোনো দালানের মতো সম্পর্কের চিহ্নগুলোও
যেনো আজ বিচ্ছিন্ন!
অথচ একদিন আমরা ছিলাম এক ও অভিন্ন!

কার স্বপ্নে কে প্রদীপ জ্বালায়
কে বা ধূপ হয়ে জ্বলে হায়।
স্বপ্ন জয়ের দুরন্ত চাকায় কারো স্বপ্ন অঙ্কুরেই খুন হয়।
তাতে কার কি বা আসে যায়!
তবু ইচ্ছের পাখি সেতো স্বপ্ন দেখে যায়
স্বপ্ন করবে ঠিক জয়।