বন্দরে অগ্নিকান্ডে দোকানসহ ও তুলার গোডাউন পুড়ে ছাই

স্টাফ রিপোর্টার(আজকের নারায়নগঞ্জ): বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৩টি দোকান ও ৩টি তুলার গোডাউন পুড়ে গিয়ে প্রায় ২৪ লÿ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।  জানা যায়, বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের কুড়িপাড়া বটতলা এলাকায় সোমবার রাত আনুমানিক ১০ঃ৩০মিনিটের সময় হঠাৎ করে অগ্নিকান্ড ঘটে ।

অগ্নিকান্ড ঘটার সাথে সাথে স্থানীয় কয়েকটি মসজিদের মাইকে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বিষয়টি জানিয়ে দিলে সংবাদ পেয়ে অত্র এলাকার হাজারো নারী পুরুষ আগুন নিভানোর জন্য ছুটে আসে এবং স্থানীয়রা আগুন নিভানোর আপ্রান চেষ্টা করে।

এসময় সংবাদ পেয়ে বন্দরের হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এর দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায় এবং প্রায় ৪০মিঃ দুটি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে নজরুল ইসলামের তুলার গোডাউনে থাকা প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল, সেলিম এর কম্পিউটার এর দোকানে থাকা প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল, রুহুল আমিন এর মুদি দোকানে থাকা প্রায় ৫০হাজার টাকার মালামাল, ফরিদ মিয়ার চায়ের দোকানে থাকা প্রায় ২০ হাজার টাকার মালামাল, মামুনের তুলার গোডাউনে থাকা প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল এবং আমির হোসেন এর তুলার গোডাউনে থাকা প্রায় ১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এসময় আগুন নিভানোর জন্য চেষ্টা কালে নজরুল ইসলাম হঠাৎ স্ট্রোক করে। তখন এলাকাবাসী নজরুলের অবস্থা আশংকাজনক দেখে তাকে মদনপুর বারাকাহ হাসপাতালে দ্রুত নিয়ে ভর্তি করে, বর্তমানে সে উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এদিকে আগুন লাগার বিষয়টি সমন্ধে বন্দর ফায়ার সার্ভিস এর অগ্নি নির্বাপন কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি যানান, বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট হতে আগুন লাগতে পাড়ে তবে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।

এমতাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ কে এম সেলিম ওসমান মহান ও দানশীল ব্যক্তি। তিনি যদি ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও তুলার গোডাউন পরিদর্শন করে ক্ষিতিগ্রস্তদের পাশে দাড়াতেন তাহলে  বেঁচে থাকার একটি অবলম্বন খুঁজে পেত নতুবা ক্ষতিগ্রস্থদের পথে বসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবেনা।