মিতু হত্যাকাণ্ডঃ স্বামী বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়ে চার্জশিট

আজকের নারায়নগঞ্জঃ চট্টগ্রাম পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়েই আজকালের মধ্যে নগর গোয়েন্দা পুলিশ বহুল আলোচিত মিতু হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাবুল আক্তারকে মামলার বাদী ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবেই রাখা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আর পলাতক মুসাকে এ ঘটনার মূল আসামি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এর বাইরে আসামির তালিকায় থাকছে অন্তত ৬ জন। তবে, বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তার শ্বশুর।

হত্যাকাণ্ডের দুই বছরের মাথায় এসে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার চার্জশিট দেওয়ার সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশ। আজ ও কালের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়ে চমক সৃষ্টি করতে চান তদন্তকারী কর্মকর্তা। তবে, সবচেয়ে বড় চমক আসামি তালিকায় থাকছে না মিতুর স্বামী ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের নাম।

মামলার তদন্ত-কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘তার ভূমিকা একজন কমপ্লিমেন্ট হিসেবে। এছাড়াও যেসমস্ত কথা-বার্তা বিভিন্নভাবে বের হয়ে আসছে, সেই বিষয়গুলোকে নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।’

মামলার সন্দেহভাজন আসামির মধ্যে ওয়াসিম, আনওয়ার, শাহজাহান এবং এহতেশামূল হক বর্তমানে কারাগারে। এছাড়াও মূল আসামি মূসা সিকদার ও কালু পলাতক। আর জামিনে রয়েছেন আসামি ছায়েদুল আলম ছাক্কু, আবু নসর গুন্নু এবং রবিন। এদিকে, কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান আসামি নবী ও রাশেদ।

ঘটনাস্থলের সিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে মূসা, কালু, ওয়াসিম, আনোয়ার ও নবীকে। তারা কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। ছাক্কু হত্যাকারীদের মোটরসাইকেল দেয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রিভলভার সরবরাহকারী ছিলেন এহতেশামূল হক।

চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন  সময়নিউজকে বলেন, ‘মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন। সেটা কতটুকু নির্ভুল এবং কতটুকু মামলার পরিপন্থী সেই সঙ্গে কতটুকু সম্পূরক সেটা দেখার বিষয়।’

সূত্র ও তথ্যঃ সময় নিউজ