স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত শাহ আলমের নেতৃত্বে সংগ্রাম চলবে’

ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ):  নারায়নগঞ্জের রাজনীতিতে কথিত আছে ওসমান পরিবারের আজ্ঞাবহ রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচয় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড.আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসের। বিগত দুই মেয়াদে আওয়ামীলীগ সরকার যতদিনের ক্ষমতায় ঠিক ততদিন ধরেই সদর উপজেলার চেয়ারম্যানের পদটি বেশ দাপটের সাথেই আকড়ে আছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আজাদ বিশ্বাস।

বিগত সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে কমবেশী অনেকেই মামলার আসামী হিসাবে কাঠগড়ায় দাড়ালেও আসামীর তালিকায় থাকতে হয়নি তাকে। ফলে রাজপথে প্রতিটি কর্মসূচীতে পুলিশের সামনেই ব্যানার হাতে দাড়াতেন তিনি। শাহ আলম নেতাকর্মীরা মামলার আসামী হলে যেকোনভাবেই সেগুলো দেখাশুনার ভার ছিল আজাদ বিশ্বাসেরই উপরে।

বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বিরোধী দলের নেতা হিসাবে কোথাও আওয়মীলীগ নেত্রীকে কটাক্ষ করে কথা বলতে শুনা যায়নি। বরং নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের ্েমপি একেএম শামীম ওসমানকে তিনি নিজের নেতা হিসাবেই তার বক্তব্যে বলতে শোনা গেছে। ফলে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ওসমান পরিবার তথা সরকারী দালাল হিসাবেই আখ্যায়িত করে আসছিল। বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মসূচীতে গিয়ে অপমান-অপদস্তও হতে হয়েছে তাকে,যদিও থানা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম কখনো তাকে অপছন্দ করেননি।

এবার আর রেহাই মিলেনি সরকারের শেষ সময়ে মামলার আসামী হয়ে আদালত থেকে জামিন আনতে হয়েছে নিজের জন্যে। সেই আজাদ বিশ্বাস যিনি নিজেকে সরকারদলীয় এমপি শামীম ওসমানের কর্মী হিসাবে সভা-সমিতিতে বক্তব্য রাখতেন সেই তিনি ১৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে ফতুল্লা মডেল থানায় এলেন । বিষয় ছিল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি  শাহ আলম সমর্থিত নেতা মশিউর রহমান রনিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তার বিষয়ে দেখভাল করা জন্যে থানা কম্পাউন্ডে হাজির হলেন। শুধু হাজিরই হননি,রীতিমত ছিলে উত্তেজিত,আবেগাপ্লুত,আতঙ্কিত।

তারপরেও তিনি সাংবাদিকদের কাছে উত্তাপ ছড়ানো বক্তব্য দিলেন, যাতে বললেন,স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের পতন না পর্যন্ত ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শাহআলমের নেতৃত্বে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।

তিনি ২দিন যাবত নিখোজ ছাত্রদল নেতা মশউর রহমান রনিকে আদালতে হাজির করায় আল্লাহতায়ালার দরবরারে শুকরিয়া জানান।