৩দিনের রিমান্ডে ছাত্রদল নেতা রনি

স্টাফ রিপোর্টার,(আজকের নারায়নগঞ্জ): অবশেষে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে গ্রেফতারকৃত ছাত্রদল সভাপতি মশিউর রহমান রণিকে আদালতে পাঠিয়েছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। ১৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় থানা হাজত থেকে পুলিশের জ্যাকেট ও হেলমেট পরিহিত অবস্থায় কড়া নিরাপত্তায় তাকে নিয়ে আদালতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় পুলিশ।

পরে রনিকে ৭দিনের রিমান্ডে চেয়ে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামরুল হাসান।  আদালত পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ৩দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রনি সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার মাসদাইর পাকাপুল এলাকার সড়ক নির্মান ঠিকাদার মোস্তফা কামালের ছেলে।

রনির বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু মামলায় জামিন রয়েছে এবং বাকী মামলাগুলোতে সে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

গত ২দিন যাবত নিখোঁজ থাকলেও ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভাষ্যমতে  মশিউর রহমান রনিকে ১৭ সেপ্টেম্বর সোমবার ভোরে দাপা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে বলা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়।

১৬ সেপ্টেম্বর বিকালে  সংবাদ সম্মেলনে স্বজনরা বলেছিলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল দশটায় বাসা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যায়। রাত সাড়ে দশটায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে জানায়, ঢাকায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন লোক রনিকে কালো রঙের একটি হাইয়েস গাড়িতে তুলে নিয়ে গেছে। এরপর থেকে রনি নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের স্বজনরা নিকট আত্মীয়দের বাড়িতে এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ কার্যালয়ে গিয়ে খোঁজ করেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রনির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। রনির বাবা-মা ও বড় বোন বর্তমানে পবিত্র হজ্ব পালনের সৌদি আরব রয়েছে। এ অবস্থায় এমন একটা ঘটনা আমরা খুবই চিন্তিত।

প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া একটি বক্তব্যের বিপরিতে ফেসবুকে রনি নিজের টাইম লাইনে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত হন। নিজ দলের নেতা-কর্মীদের কাছে সাহসী, বীর খেতাবসহ প্রশংসিত হলেও ছাত্রলীগসহ অন্যদের কাছে বেশ সমালোচিত হয়েছিলেন।