পলাশের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনেই রাজপথে ইজিবাইক নিরাপদ

স্টাফ রির্পোটার(আজকের নারায়নগঞ্জ): সদর উপজেলার ফতুল্লায় ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা (ইজি বাইক) চালকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও চাদাবাজীর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা (ইজি বাইক) মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
রবিবার (১৬/০৯/১৯) সকাল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের ১১ টায় পাগলা বাজার থেকে আলীগঞ্জ পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিক্ষোভ মিছিলের পূর্বে সংক্ষিপ্ত সভায় সভার সভাপতি ও ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা (ইজি বাইক) মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক বলেছেন, ফতুল্লায় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা (ইজি বাইক) মালিক, চালক ও নেতাদের কাছে চাদাঁদাবি করে আসছে। আর এসব সন্ত্রাসীদের দাবিকৃত চাঁদা পরিশোধ না করলে চালকদের উপর হামলা ও নির্যাতন করে ছিনিয়ে নিচ্ছে তাদের উর্পাজিত টাকা। তিনি এ সকল চাদাবাজ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। এবং থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত সেই সন্ত্রাসী ও চাদাঁবাজদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।

আজিজুল তার বক্তব্যে আরো বলেছেন, ফতুল্লায় ইজি বাইক মালিক ও শ্রমিকরা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাইক গুলোর বৈধতা দাবি করে আসছে। আর নিজেদের সংগ্রাম আন্দোলণ পরিচালনা করা ও দূর্দিনে আর্থিক সহায়তার লক্ষ্যে স্বেচ্ছায় চাদাঁ তুলে অনুদান ফান্ড গঠন করেছে। সংগ্রাম পরিষদ গঠনের পর থেকে এই পর্যন্ত নিহত ও আহত মালিক ও শ্রমিককের পরিবারের হাতে প্রায় ১২লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এসব অনুদান কখনো স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসকসহ গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তিদের হাতে বিতরন করা হয়েছে। অভাব অনটনে পরিষদের ফান্ড থেকে ইজি বাইক মালিক ও শ্রমিকরা ঋনও নিচ্ছে। এছাড়াও পরিষদের নামে ব্যাংক একাউন্টেও প্রায় ৫ লক্ষ টাকা রয়েছে। এই ধরনের দৃষ্টান্ত দেশের কোন অঞ্চলে রয়েছে কিনা তার আমার জানা নেই।

তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, যখন এই ইজি বাইক গুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ ঘোষনা করে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো তখন কোথায় ছিলো আজকের চাদাঁবাজ, সন্ত্রাসী ও প্রভাবশালীরা। শ্রমিকনেতা আলহাজ্ব কাউসার আহাম্মেদের বলিষ্ট নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজ পথে আজও আমরা ইজি বাইক চালাতে পাড়ছি। ঐ দুঃসময়ে কাউসার আহম্মেদ পলাশ যদি ইজি বাইক মালিক শ্রমিকের পাশে না দাড়াতেন আজ আমাদের কোন অস্তিত্ব থাকতো না।

তিনি হুশিয়ারি করে বলেন, প্রশাসন ঐ সকল চিহ্নিত চাদাঁবাজ ও সন্ত্রাসীদের সাঁজার ব্যবস্থা না করলে আমরাও ঘরে বসে থাকবো না। গনধোলাইয়ের মাধ্যমে চাঁদাবাজদের শায়েস্তা করা হবে।
বিক্ষোভ সভা ও মিছিলে জব্বার, আনোয়ার, মুজিবুর, রিপন, শরিফ, সানু, মুন্না, নিজাম, মামুন, বুলু ও সালাহ উদ্দিনসহ ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকার ইজি বাইক মালিক ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।