মাইলফলকের সামনে মাশরাফি!

ক্রীড়া ডেস্ক(আজকের নারাযনগঞ্জ):  বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণভ্রমরা মাশরাফি বিন মর্তুজা। দলনেতা হিসেবে তাঁর মাঝে দুটো গুণই রয়েছে। নেতৃত্বগুণের পাশাপাশি নিজের পারফরমেন্সের বিষয়েও সতর্ক তিনি।

মাশরাফি মানে টিমের ঐক্য, মাশরাফি মানে আত্মবিশ্বাস। পুরো দলকে এক সুঁতোয় বেধে রেখেছেন তিনি। বোলিংয়ে সামনে থেকে পুরো দলকে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।

মাশরাফির পেশাদারিত্ব নিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন নেই। মাঠে নিজেকে নিংড়ে দেন তিনি।

ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বিকেলে খেলোয়ারি জীবনে একটি বড় মাইলফলকের সামনে মাশরাফি। ওয়ানডেতে আড়াইশ’ উইকেটের সামনে তিনি। নিযুত ক্রিকেটভক্তের অভিপ্রায় এশিয়া কাপেই এই মাইলফলক ছুঁবেন তিনি।

এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বেই অন্তত ২টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। পরে সুপার ফোরের টিকিট পেলে অন্তত আরও ৩টি ম্যাচে পাবে টাইগাররা। সবমিলিয়ে এই টুর্নামেন্টে ৫টি উইকেট পেলেই ওয়ানডে ইতিহাসের ২৫তম বোলার হিসেবে ২৫০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলবেন মাশরাফি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে সবশেষ সিরিজের ৩ ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়া মাশরাফির জন্য কাজটা খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা নয়।

এশিয়া কাপের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগেই বলেছেন ব্যক্তিগত মাইলফলক বা অর্জন সম্পর্কে কখনোই লক্ষ্য স্থির করেন না তিনি। বেশিরভাগ সময়েই মাইলফলকের ব্যাপারে জানেন সংবাদকর্মীদের কাছ থেকেই।

দীর্ঘ ১৭ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ইনজুরির বাঁধা পেরিয়ে এখনো পর্যন্ত ১৯০টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মাশরাফি। যার মধ্যে ২টি খেলেছেন এশিয়া একাদশের জার্সি গায়ে, বাকি ১৮৮টিই বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়িয়ে। এশিয়া একাদশের হয়ে ২ ম্যাচ নিতে পেরেছেন ১টি উইকেট। আর দেশের হয়ে ১৮৮ ম্যাচ মাশরাফির উইকেটসংখ্যা ২৪৪

সবমিলিয়ে ১৯০ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৪৫ উইকেট নিয়ে আড়াইশ উইকেটের মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি। ২৪৫ উইকেট নেয়ার পথে মাশরাফি ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন একবার। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে সে ম্যাচে করা মাশরাফির ২৬ রানে ৬ উইকেটের বোলিং ফিগার এখনো পর্যন্ত দেশের ইতিহাসের সেরা। এছাড়া ম্যাচে ৭ বার ৪ উইকেট করে নেয়ার রেকর্ড রয়েছে ডানহাতি এই পেসারের।