রূপগঞ্জে যুবককে পিটিয়ে এবং তরুনীকে ধর্ষণের পর হত্যা

রূপগঞ্জ(আজকের নারায়নগহ্জ): নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নির্মমভাবে পিটিয়ে মামুন (২৫) নামে এক যুবককে দুবৃর্ত্তরা হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতের যেকোন সময় দুবৃর্ত্তরা তাকে এলোপাথারী পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারনা। বুধবার সকালে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার বিরাব বীর ফকির তলার টেক এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

অরপরদিকে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিপাড়া গ্রাম থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের তরুনীর (২৩) মুখ-পা বাধা লাশ উদ্ধার করেছেন। পুলিশের ধারণা তাকে অপহরনের পর অনৈতিক কাজ করে হত্যার পর দুস্কৃতিকারীরা লাশ এখানে ফেলে গেছে।
ভোলাব উপ-পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার বিরাব মধ্যেপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাই এর বড় ছেলে ও ট্রলি গাড়ির হেলপার মামুন মিয়া (২৫)এর লাশ বাড়ির পাশ্ববর্তী বীর ফকির তলার টেক এলাকায় পরে থাকতে দেখে লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তার শরিরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাকে নির্মমভাবে প্রহার করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারনা করছেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, সে মাত্র ২৬ দিন পূর্বে নরসিংদীর কান্দাইল ছেরেন্দা গ্রামের আবু সাঈদ মিয়ার মেয়ে ফরিদাকে বিয়ে করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি।

এদিকে রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রোকনুজ্জামান জানান, গত সোমবার রাতের যে কোন সময় কে বা কারা দক্ষিনপাড়া এলাকার লবু সাহার পুকুরে মুখ-পা বাধা তরুনীর লাশ ফেলে যায়।

মঙ্গলবার রাতে লোকজন থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত তরুনীর (২৩)লাশটি উদ্ধার করেন। তরুনীর জামার বিভিন্ন অংশ ছেড়া রয়েছে।  তার পরিহিত জামার খন্ডাংশ দিয়েই তার মুখ ও পায়ে বাধা হয়েছে।

এতে পুলিশ ধারনা করছে তাকে অপহরনের পর অনৈতিক কাজ করে হত্যার পর দুস্কৃতিকারীরা তার লাশ এখানে ফেলে গেছে। উভয় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় পৃথক মামলার প্রস্ততি চলছে।