রূপগঞ্জের মামলায় আসামী তৈমুর-মনির-দিপুসহ ১০৫

রূপগঞ্জ(আজকের নারায়নগঞ্জ):  বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েমসহ ১০৫ নেতার নামে আরো একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

নাশকতার অভিযোগে রোববার রাতে ভোলাব উপ-পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই রুহুল আমিন বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় এ মামলাটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কাঞ্চন পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মিয়া ও মোজ্জাম্মেল হক নামে দুইজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া মস্তাপুর এলাকায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম আব্দুল মতিন চৌধুরীর বাসভবনে বিএনপির নেতাকর্মীরা বড় ধরনের নাশকতার উদ্দেশ্যে সমবেত হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ৫টি ককটেল বিস্ফোরন করে ।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কাঞ্চন পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মিয়া ও মোজ্জাম্মেল হক নামে দুইজনকে আটক করেন।

এ ঘটনায় রাতে ভোলাব উপ-পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েমসহ ৮৩ জন নামীয়সহ আরো অজ্ঞাত নামা ২২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, রোববার বিকেলে কাঞ্চন পৌরসভার কেন্দুয়া মস্তাপুর এলাকায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে বিএনপির নেতাকর্মীরা বড় ধরনের নাশকতার উদ্দেশ্য সমবেত হয় ও ৫টি ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে এলাকায় আতংকের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বলেন, এ নিয়ে রূপগঞ্জে পুলিশ বাদি হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে ৪টি সাজানো মামলা দায়ের করেছে।

এসব ভৌতিক মামলায় বিভক্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের জড়িয়ে রূপগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছে পুলিশ। এজন্য পুলিশকে সাধুবাদ জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, এভাবে সাজানো মামলা দিয়ে বিএনপিকে দমানো যাবে না।

বিএনপির কোন্দল নিরসনে পুলিশ মামলা দিয়ে একত্রিত করার সুযোগ করে দিয়েছে। নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশী চালিয়ে হয়রানি করছে পুলিশ। একদিন সবকিছুর জবাব দেয়া হবে বলেও জানান এই নেতা।