আলাউদ্দিন গাজী‘র একগুচ্ছ কবিতা

 

১। জয়তু বিদ্যাসাগর

ভুবন ভরে এত যে আলো
দেখেনি চোখ মেলে ?
রবির দেউড়ি থাকেনি বন্ধ
তাই বলে !
বিদ্যার সাগরে বাংলা গিয়েছে মিশে।
জয়তু তুমি হে, যুগে যুগে।
স্বরে-অ, স্বরে-আ । বর্ণমালার মাঝে
আজো খুঁজে পাই তোমাকে।
চিরদিনের শিক্ষক তুমি হে।

২। সাঁই বাবাজী

একদিন সাঁঝে
হঠাৎ করে সাঁইবাবাজী
এলো মোর সনে,
আয়েস করে বসল এসে ঘরে।
এটাওটা কথার ফাঁকে
টাকার কথা বলে;
মায়ের অসুখ বিপদ এসে
পড়েছে তার ঘাড়ে
কড়ি নেই কাছে।
ফিরাই কি করে ?
দিলাম তুলে হাতে
টাকা কিছু ছিল মোর কাছে।
সেই যে গেল সাঁইবাবাজী
আছো পাইনি খুঁজে।

৩। বনলতা,তুমি কোথায়?

তুমি পেয়েছিলে বনলতাকে,
আমি পাইনি !
তোমায় দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিল বনলতা,
আমাকে দেয়নি !
নাটোর যাওয়া হয়নি আমার।
সেই কবে থেকে দিনগুনছি যাবার !
আমি ঘুরে মারছি আমারি হাট বাজারে;
খানা-খন্দকেকে ভরা জীবনে।
হাঁটছি আর হোঁচটখাচ্ছি —
হাজার বছর ধরে এই দারুচিনি দ্বীপে।
” কোথায় ছিলে, গো।এতদিন “
বনলতা শুধাবে না কোনদিন।