সার্কিট হাউজ হওয়ার পরে ডাক বাংলোর কোনো প্রয়োজন নাই- ভিপি বাদল

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্ক:   দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী হচ্ছে যানজট। বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিধিরা অনেক চেষ্টা করেও এই যানজটের সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারছেন না। সকল চেষ্টায় ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। তবে সকল চেষ্টা বিফলে গেলেও যানজট নিরসনে এবার নতুন পরামর্শ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল।

আবু হাসনাত শহীদ বাদল বলেন, আমি পৌর প্রশাসক ছিলাম ১৯৯৭ সালে। তখন একটা প্লান ছিল এই যানজট কমানোর জন্য টোটাল একটা মাস্টার প্লানের মধ্যে এটা ছিল অন্যতম, শহীদ নগর থেকে চাষাড়া (শহীদনগর থেকে একটা রাস্তা আসবে পাইকপাড়া হীরা পানের শহীদ ভাইয়ের এদিক দিয়ে। চুনকা ভাইয়ের শ্বশুড়বাড়ীর সামনে দিয়ে আমিনুল স্যাকটারির বাড়ির দিক দিয়ে যেটা গেল এটা)। পালপাড়া যে রাস্তাটা গেছে রেলওয়ের বিস্তর জায়গার উপর দিয়ে যদি রাস্তাটা হয়ে যায়, মহিলা কলেজের সামনে থাকবে ওয়াল। এই রাস্তাটা একদম ঢাকা পর্যন্ত চলে যাবে। তাহলে যানজট থাকবে না।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এই পরামর্শ দেন। ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে ২নং রেলগেইট আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা হিউম্যান রাইটস সোসাইটির উদ্যোগে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

আবু হাসনাত শহীদ বাদল বলেন, পঞ্চবটি থেকে যে রাস্তাটা চাষাড়া আসলো, সার্কিট হাউজ হওয়ার পরে ডাক বাংলোর কোনো প্রয়োজন নাই। তাহলে আমার মানুষ কেন কষ্ট করবে। পুলিশফাঁড়ি পিছনে বহু জায়গা, এটা উঠিয়ে দেয়া হোক। মানুষ অসহনীয় কষ্ট করে।

তিনি আরো বলেন,  আমার স্ত্রী ছিল মহিলা কলেজের দুইবার ভিপি। আন্দোলন করে সরকারী করছে। আমি ছিলাম তোলারাম কলেজের তিনবার ভিপি। খারাপ লাগে যখন দেখি ছেলে-মেয়েরা জ্যামে আটকে থাকে। পরীক্ষার্থীরা সময়মতো পরীক্ষার হলে যেতে পারে না, জ্যামে আটকে থাকে। নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য আমরা সু-ব্যবস্থা চাই। আমি হলফ করে বলতে পারি, বাইপাস রোডগুলো হয়ে গেলে কোনো যানজট থাকবে না। আমার দাবি ডিসি-এসপি যারা দায়িত্বে আছেন একটা বিকল্প করা হোক।