আগে ইনডাইরেক্ট ছিলাম,আজ ডাইরেক্ট আমার দল আ‘লীগ- সেন্টু

ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ): আজ থেকে আমি নৌকার মাঝি এবং আমার দল আওয়ামীলীগ’  এমনই অঙ্গিকার করে মনিরুল আলম সেন্টু চেয়ারম্যান বলেছেন,এতদিন এলাকার মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কাজ করেছি ইনডাইরেক্ট। আজ থেকে কিন্তু আমি ডাইরেক্ট কাজ করবো নৌকার মাঝি হিসাবে। আওয়ামীলীগের সদস্য হিসাবে। অনেকেই বলছেন,আমি যেন আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রান যারা তাদেরকে মূল্যায়ন করি। কিন্তু আমি বলবো দলে নতূন হিসাবে আপনারা আমাকে মূল্যায়ন করবেন। আমি দলের সভাপতি কিংবা সাধারন সম্পাদকের পদ চাই না,আমি শুধু আপনাদের সহযোগিতা চাই আমার যতটুকু এলাকা কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের এলাকাটুকুতে মাদক,সন্ত্রাস.চাঁদাবাজমুক্ত রাখতে পারি। আমরা এমন কোন কাজ করবো না যাতে এমপি শামীম ওসমানের বদনাম হয়।

সোমবার(১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় কুতুবপুরের দেলপাড়া মীর কুঞ্জ পাটি সেন্টারে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় নৌকার প্রার্থী হিসাবে কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অংঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ আহবান জানান।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের তিন তিন বারের সফল চেয়াম্যান মনিরুল আলম সেন্টু নৌকার মাঝি হওয়ার পর আজ প্রথম নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় আরো বলেন,বিগত ৫ বছরে আমি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানগিরি করেছি এমপি সাহেবের নির্দেশনা বাস্তবায়নেই। এভাবেই কাজ করেছি যাতে এমপি সাহেবের কোন বদনাম না হয়।

সেন্টু বলেন,আমি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। কিন্তু গতবারের নির্বাচনে আমি আনারস নির্বাচন করার পর যখন নৌকা পরাজিত হয়েছিল তখন কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিলেন এমপি শামীম ওসমান। তবে এমপি সাহেব আমার জন্যে অনেক করেছেন,তাই এবার নির্বাচনের ৬ মাসে আগেই এমপি সাহেবকে আমি বলেছিলাম এবার আমি আর নির্বাচন করবো না,কারন এবারও যদি নৌকা পরাজিত হয় তাহলে আপনি প্রশ্নবিদ্ধ হবেন। কিন্তু এমপি সাহেব আমাকে ছাড়েন নাই। আমি দলের না হলেও আমার উপরে অগাধ বিশ্বাস ছিল। তাই এমপি সাহেব বলেছেন নির্বাচন তুমিই করবা,বাকী দায়িত্ব আমার। এরই ধারাবাহিকতায় আমার হাতে নৌকা তুলে দিয়েছেন তিনি। আসুন আমরা সকলে মিলে এমন কাজ করি যাতে আগামীতে এলাকার ৮০ ভাগ লোক নৌকার পক্ষে ভোট প্রদান করেন।

কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী মোঃ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যন্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকলীগের সভাপতি সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ,ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোঃ মোস্তাফা কামাল ,মঞ্জুরুল ইসলাম যুগ্ন সম্পাদক এইচ এম ইসহাক, সাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা হোসেন চৌধুরী । কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মানিক চাঁন মিয়া ,ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার ,জাহাঙ্গীর আলম ,আওয়ামীলীগ নেতা মমিন মাদবর ,আঃ রাজ্জাক ব্যাপারী ,রাজ্জাক ফকির ,আঃ মালেক ,মিন্টু ভূইয়া ,নূর মোহাম্মদ । কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন ,সাধারন সম্পাদক আঃ খালেক যুবলীগ নেতা ছাব্বির আহম্মেদ জুলহাস ,দ্বীন ইসলাম ,নবী, বাবর ,জামাল ,রাকিব । কুতুবপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ মোস্তফা ,সাধারন সম্পাদক মীর হোসেন মীরু , ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শাহ আলম ,সাধারন সম্পাদক রাসেল মোল্লা ।

মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী পুতুল ,বিউটি বেগম ,অনামিকা হক ,তামান্না সুলতানা ,আরজুদা বেগম খুকিসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।