কর্মীরা নোট করছে,সময় হলে সব প্রকাশ করবে’

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্কঃ আসন্ন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল আলম সেন্টু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ করাকে কেন্দ্র স্থানীয় আওয়ামীলীগ-বিএনপি উভয়দলের নেতাকর্মীদের আলোচনা-সমালোচনামূলক স্ট্যাটাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরগরম হয়ে উঠছে। সম্প্রতি সানাউল্লাহ লিখেছিলেন,ভালোই কামাচ্ছেন, বিএনপির কাছে নৌকা বেঁচে দিচ্ছেন’।

এর পর আজ রোববার(১০ অক্টোবর) দুপুরে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সানাউল্লাহ তার ফেসবুক আইডিতে আরো এক স্ট্যাটাসে বলেন,

‘আমি জানি আমাকে একদিন মরতে হবে ,আমি পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি,চারপাচ বার পবিত্র কুরআন খতম দিয়েছি। এইসব আমি বলে বেড়াইনা। আবার মিছা কথাও কই না । তাই অন্তরে কোন ভয় নাই ,বাবামার আশীর্বাদ আছে।

রাজনীতি করতে গিয়ে বাবামার তেমন সেবা করতে পারি নাই। তবে আমার সাত ভাই বাবামার যথেষ্ট সেবা করেছে ।পরিবারে তেমন সময় দিতে পারি নাই, তাদের বিলাসী জীবন দিতে পারি নাই তবে মেয়েদের শিক্ষিত করেছি এব;আলহামদুল্লিলাহ তাদের বিয়ে দিয়ে দিয়েছি। ওদের জন্য দোয়া করবেন।

একদিন আমি আর মুকুল নবীনগর এক ব্রীজে বসে গল্প করছিলাম। ও বলছিল ওর স্বপ্নের কথা ,বিয়ের কথা ।মুকুলের আর বিয়ে হয় নাই, মেহেদী পরা হয় নাই, মেহেদীর পরিবর্তে সমস্ত শরীর রক্তে রাংগা হয়েছিল শহীদ উল্লাহ ভাইয়ের বাড়ীতে। লাস হয়ে ফিরেছিল বাড়ীতে। আমরা হারিয়েছি মনির ভাই, দেলোয়ার, সবুজ, পলি,আক্তার, বাপ্পী,মেছের, তোফাজ্জল, সেলিম, জাফর,নজরুল সহ কতজনকে, অনেকের নাম মনে নেই, আল্লাহ সবাইকে বেহেস্ত নসীব করুন। আমরা ভূলে গেলে ও কর্মীরা ভূলে নাই, তারা নোট করছে কে কি করছে, কার বাড়ী কোথায়, আত্মীয়স্বজন কে, কোন দল করে ,সময় হলে সব প্রকাশ করবে তারা ।সবাই এইসব নির্বাচন নিয়ে না ভেবে সংসারে সময় দিন।ভয় করবেন একজন কে শুধু আল্লাহ তা আলাকে। আমিন
সানাউল্লাহ
ফতুল্লা