সেই টাকা কার পকেটে যায়? প্রশ্ন শামীম ওসমানের

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্কঃ

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, ‘ফতুল্লার পাগলা এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বিআইডব্লিউটিএ যে ওয়াকওয়ে তৈরি করেছে, তা দখল করে মালপত্র লোড-আনলোডের সময় চাঁদাবাজি হয়। এখান থেকে মাসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। এ চাঁদাবাজি কারা করে? কারা নদী দখল করে?’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডিব্লউটিএ) নারায়ণগঞ্জে অনেক কাজ করলেও নদী দখল ও চাঁদাবাজি চলছে অভিযোগ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, এগুলো কারা করে?

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় তিনি এসব প্রশ্ন করেন।

বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জের যুগ্মপরিচালক মাসুদ কামালের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শীতলক্ষ্যা নদীর কাঁচপুর ব্রীজের নিচে খাজনা আদায় করছে বিআইডব্লিউটিএ। সেই টাকা কার পকেটে যায়? বিভাগের লোকজনের পকেটে, না ইউনিয়ন নেতার পকেটে?

‘এটা সরকারের সম্পত্তি। সরকারকে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। এটা বন্ধ করেন। এ ধরনের অনিয়ম মানবো না।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘জনগণ জবাব চায়। আপনারা কোন এলাকায় কী কাজ করেন, তা জেলা প্রশাসকের কাছে দিবেন। এ ছাড়া কীভাবে আরও উন্নয়ন করা যায়, সে ব্যাপারে পরিকল্পনা করে আমাকে জানাবেন।’

নারায়ণগঞ্জের সরকারি কর্মকর্তারা তার পরিচয় ব্যবহার করলে জেলায় আরও উন্নয়ন কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন শামীম ওসমান।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহমেদসহ সরকারি সব দপ্তরের কর্মকর্তারা।