বিবিসি রিপোর্টঃ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে বিবিসি’র রিয়েলিটি চেক টিম।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে এই নির্বাচন ‘আমেরিকান জনগণের প্রতি জালিয়াতি।’

তিনি বলেছেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাবো। আমরা চাই ভোট গ্রহণ যেন বন্ধ করা হয়।”

ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলোতে বড় সংখ্যক ভোট এখনো গণনা করা বাকি, যা নির্বাচনের ফলকে যে কোনো দিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে।

জালিয়াতির অভিযরোগ তুললেও ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি। আর পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে ভোট গণনার ক্ষেত্রে জালিয়াতি খুবই বিরল।

ট্রাম্প বারবার এই অভিযোগ তুলেছেন যে পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে – করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবার যেটির বিস্তৃত প্রয়োগ হয়েছে – ব্যাপক আকারে জালিয়াতি হতে পারে।

এছাড়া জালিয়াতির আর যা অভিযোগ উঠেছে সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় অপ্রমাণিত গুজব।

উল্লেখ্য,ট্রাম্পের তুলনায় এগিয়ে আছেন বাইডেন,তারপরেও লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেনসিলভেইনিয়ায় এখন পর্যন্ত ৯১ শতাংশ ভোট গণনায় ট্রাম্প ৩২ লাখ ২৪ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়েছেন। আর প্রতিদ্বন্দ্বী বাইডেনের ঝুলিতে পড়েছে ৩০ লাখ ৮৮ হাজার ৭৩৭ ভোট।

পেনসিলভেইনিয়ায় এখনও অনেক পোস্টাল ভোট গণনা বাকি আছে এবং সেগুলোর বড় অংশ বাইডেনের পক্ষে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই রাজ্যে ২০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট থাকায় জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ওই ভোট পেতে মরিয়া ট্রাম্প। শুরুর দিকের ফলাফলে মনে হচ্ছিল গত বারের মত এবারও এখানে ট্রাম্পই জিতবেন। কিন্তু পোস্টাল ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর ব্যবধান কমতে শুরু করায় তিনি ক্ষেপেছেন।

নিজের টুইটার একাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘গণনা বন্ধ করুন।’’