আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সোনারগাঁ থানা যুবদলের আহবায়ক শহিদুর রহমান স্বপনকে আটক করেছে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ি।

আজ বৃহস্পতিবার(৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তারেক রহমানের সাথে ভার্চুয়্যাল মিটিংয়ের সময় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপুর গোলাকান্দাইল বাড়ি থেকে ভুলতা ফাঁড়ির পুলিশ তাকে আটক করে।

ভূলতা ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আমিনুর রহমান আমানের নেতৃত্বে পুলিশ এসে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সহিদুর রহমান স্বপনকে আটক করে প্রথমে ভূলতা ফাঁড়িতে পরে রূপগঞ্জ থানায় নিয়ে যায় । 

স্বপনকে অহেতু আটক করায় নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও থানা বিএনপির সেক্রেটারী আজহারুল ইসলাম মান্নান।

মিটিং এ থাকা নেতা-কর্মীরা জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতাকর্মীদের সাথে ভার্চুয়্যাল মিটিং চলাকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে আটক করে পুলিশ ।

জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ থাকায় সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শহিদুর রহমান স্বপনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ মিটিং এর আয়োজন করা হয় । মিটিং এর এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় পুলিশ এসে দিপু ভূঁইয়ার বাড়িতে এসে হাজির হয় । এসময় স্বপন সবাইকে বাড়ি থেকে নিরাপদে বের করে দেয় ।

সে নিজে বাড়িতে অবস্থান করে । পরে পুলিশ বাড়িতে ঢুকে স্বপনকে আটক করে নিয়ে যায় । এসময়ে ভার্চুয়্যাল মিটিং এ ব্যবহৃত জিনিসপত্র জব্দ করে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে

এবিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, বিএনপি নেতা দীপু ভূঁইয়ার গোলাকান্দাইলের বাড়িতে বসে বিএনপির নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসের ছক আঁকছিলেন । এখানে বসে থেকে তারা দেশের নানা ধরনের তথ্য বিদেশে পাচার করছে । তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে । এই মামলায় দীপু ভূঁইয়াকেও আসামি করা হবে জানান তিনি ।

এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ভার্চুয়্যাল মিটিং হামলা ও শহিদুর রহমান স্বপনকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার। তিনি অবিলন্বে গ্রেফতারকৃত যুবদলের নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবি জানান।