ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ): এর আগেও একটি কমিটি ফেসবুক জুড়ে আলোচনার খোরাক যুগিয়েছিল,তবে তা ভূয়া বলে প্রমানিত হওয়ার পর সম্প্রতি ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জেলা ছাত্রদল।

তবে রহস্যজনক কারনে ফতুল্লা অঞ্চলের হেভিওয়েট বলে পরিচিত একাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামী হিসাবে নির্যাতিত নেতারা বাদ পড়েছেন।

গত ১০ অক্টোবর ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দেয়া হলেও জেলার মোট ৮টি শাখা কমিটি প্রকাশিত হয় ২ নভেম্বর(সোমবার)।

দীর্ঘ বছর পর অনুমোদিত ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে ফতুল্লার মেহেদী হাসান দোলনকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে কাশিপুরের রাকিব আহম্মেদ রিয়াদকে।

ফতুল্লা থানা শাখা ছাত্রদলের কমিটিতে সদস্য সচিবের পদ পাওয়া রাকিব আহম্মেদ রিয়াদ জানান, ২০১০ সালে কাশীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত হন। পরে সাংগঠনিক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে ফতুল্লা থানা কমিটিতে যোগ দেন। তবে কোনো পদপদবী ছিল না তার।

ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের অনুমোদিত কমিটি

রাজপথে কর্মকান্ডের সুবাদেই দল তাকে যোগ্য মনে করে সদস্যসচিবের পদ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন রিয়াদ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহ্ আলমের প্রতি।

রাকিব আহম্মেদ রিয়াদ বলেন, ‘কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেছি। এখন পদ পেয়ে দায়িত্ব বেড়ে গিয়েছে। ধন্যবাদ জানাই দলের সভাপতি মশিউর রহমান রনি ও সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সজীব ভাইয়ের প্রতি। এছাড়া কায়েস আহমেদ পল্লব, আরাফাত আলম জিতু ভাইসহ আমার সহযোদ্ধাদের প্রতিও আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।’

২১ সদস্যবিশিষ্ট ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির অন্যরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
মাহফুজুর রহমান, আসিফ হাসান, আব্দুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত, মোহন আহমেদ, পারভেজ,ফয়সাল আহমেদ (শান্ত), সাজ্জাত হোসেন, লেলিন আহমেদ ও এনামুল হক রাব্বি, সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস (রিয়াদ), আরিফ হাসান কাজী, মো. রেমন রাজিব হোসেন, মো. রাকিবুল ইসলাম, মুস্তাসিন আহম্মেদ (সায়মন), শওকত রহমান ইফতি, আব্দুল্লাহ ও নজরুল ইসলাম তুরান।