আমার বর্জ্য যেন অন্য কারো ক্ষতির কারন না হয়- ডিসি জসিমউদ্দিন

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্কঃ বর্জ্য কোথায় যাবে কিভাবে নেয়া হবে, এই বিষয়ে কাজ করতে হবে।
ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য আমাদের জন্য ভয়ঙ্ককর। বিশ্বের অনেকগুলো উন্নত দেশ বুদ্ধি করে বিনামূল্যে বা কম খরচে অনেক উপহার দিয়ে যায়। সেগুলো মূলত আমাদের দেশটাকে ডাম্পিংয়ের দেশ বানানোর চেষ্টা । মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনেকগুলো বিষয় আছে।
হাসপাতাল, ক্লিনিক, র্ফামেসিগুলোতে আমরা ল্যাব টেষ্ট করতে পারছি না। আর আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, আমার বর্জ্য যেন অন্য কারো ক্ষতির কারন না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গে এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক(ডিসি) মো.জসিম উদ্দিন।

নারায়ণগঞ্জে ৩ দিন ব্যাপী ৪১তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সমন্বয় করে কাজ করলে ভালো সুফল পাওয়া যাবে। আজকে মেয়র বা এমপিকে পেলে আরো ভালো হতো। লাফিফা জামানকে পেয়ে আমরা
একটা হাই কোয়ালিটির সেমিনার প্রস্তাবিত হলো। এই সেমিনারে শহরের সকল ফার্মেসীগুলোকে সম্পৃক্ত করতে পারলে ভালো হতো। বাচ্চাদের কুইজ ক্লাব, রোবটিক্স এর সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই ভুমিকাগুলো পালন করতে হবে।
এতে আগামীতে আমরা আরো হাজার লাফিফা জামান পাবো।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের প্রসঙ্গে মো.জসিম উদ্দিন বলেন, নগর পরিকল্পনা কর্মকর্তার অনেক করনীয় আছে, মেয়রকে বুঝানোর দায়িত্ব তার। এখন রাজউক সরাসরি কাজ করে না। ইউনিয়ন ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনা বিভাগকে দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের জনবল নেই এই কথা না বলে, ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের আরো ব্যবহার করতে হবে।

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রেবেকা সুলতানার সভাপতিত্বে এবং নারায়ণগঞ্জ কলেজের শিক্ষক আরিফ মিহির এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জেলা শিক্ষা অফিসার শরীফুল ইসলাম, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার আফরোজা ভানু,নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইকবাল হোসেন, এবং আনলাইনে জুম এপস এর মাধ্যমে কনফারেন্সে যোগ দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক
লাফিফা জামান, নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের প্রভাষক খন্দকার আবুল বাশার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।