না‘গঞ্জের বিভিন্ন নদীর ঘাটে বিসর্জন দেয়া হলো দুর্গাদেবীকে

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্কঃ সারাদেশের মত নারায়ণগঞ্জেও হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পাঁচ দিনের দুর্গাপূজা শেষ হলো শহর,বন্দর ও ফতুল্লার নদীর ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।

ঢাক-কাঁসরের বাদ্যি-বাজনা আর পূজারি ও ভক্তদের পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোক ছেড়ে বিদায় নেন মা। অশ্রুসজল চোখে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিসর্জন দেন দুর্গা প্রতিমাকে।

এরই মধ্য দিয়ে ভাঙছে পাঁচ দিনের মিলন মেলা। হিন্দু বিশ্বাসে-টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মণ্ডপে মণ্ডপে থেকে ফিরে গেছেন কৈলাসে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আয়োজনে নগরীর ৩ নম্বর সার ঘাট এলাকায় বিসর্জন মঞ্চে প্রথমে ফতুল্লা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রঞ্জিত মন্ডলের নেতৃত্বে ফতুল্লা বারৈভোগ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে শুরু হয় বিসর্জন।
তবে করোনাভাইরাসের কারণে এবার বিজয়া শোভাযাত্রা হয়নি। সব মণ্ডপ ও মন্দিরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশনায় বিসর্জন শেষে ভক্তরা শান্তিজল গ্রহণ করে।

বিসর্জন ঘিরে যাতে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য নগরীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। নগরীর ৩ নম্বর সার ঘাট এলাকায় ছিল বাড়তি নিরাপত্তা। দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট, নৌ পুলিশের একটি ইউনিটের ঘটনাস্থলে অবস্থান ছিল।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আয়োজনে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খোকন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মাহমুদা মালা, নাসিক সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর শারমিন হাবিব বিন্নি, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন, মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার সাহা, ফতুল্লা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রঞ্জিত মন্ডল প্রমুখ।