ঘাতক অহিদুল লজেন্স খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে আনে আলিফ ও ফাহাদকে

সদর( আজকের নারায়নগঞ্জ):   আলিফের সাথে খেলা করছিলো পাশের বাড়ির নান্নু মিয়ার ছেলে ফাহাদ। নিখোঁজ হওয়ার পর বিকেল ৫টার দিকে  খেলার সাথী ফাহাদ (সাড়ে ৫বছর) আলিফের পরিবারকে জানিয়েছে, অহিদুল লজেন্স খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে আনে আলিফ ও ফাহাদকে। পকেট থেকে ২০ টাকা বের করে ফাহাদকে দিয়ে আনায় লজেন্স।

সাড়ে ৩টা বা ৪টা পর্যন্ত মাইকিং করা হয়েছিলো। শিহাব উদ্দিন আলিফকে যখন খোঁজাখোঁজি চলছিলো তখন রিপন ও অহিদুলের বাসার দরজা বন্ধ ছিলো বলে আলিফের পরিবার জানায়। এ সময় তাদের দু’জনের একজনকেও দেখা যায় নি। রিপনকে লাশ উদ্ধারের পর তাঁর কাজের সাইট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওহিদ ও রিপন রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো।

আলিফের চাচাতো ভাই আমির হোসেন জানান, আমার চাচাতো ভাই শিহাব উদ্দিন আলিফ সকাল ১০টার দিকে বের হয়। দু’ঘন্টা পর থেকে তাকে খুঁজে না পেয়ে পাগল হয়ে ওঠে তার পরিবার। মসজিদের মাইক দিয়ে করা হয় মাইকিং। রিক্সায় মাইক বেঁধে পুরো এলাকায়ও করা হয় মাইকিং।

বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) নগরীর জল্লারপাড়ে আমহাট্টা এলাকার সৌদি প্রবাসী আলমগীরের ছেলে নিখোঁজের ছয় ঘন্টা পর প্রতিবেশী আলী খোকনের বাড়ির নীচতলার ভাড়াটের তালাবদ্ধ রুম শিশু শিহাব উদ্দিনে আলিফের লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

নিহত আলিফের দুই হাত বাঁধা ও মুখে রুমাল গুঁজে দেয়া ছিলো। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতেরও চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই আলিফের লাশ উদ্ধার করা ঘরের ভাড়াটিয়া রিপন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আরেক ভাড়াটিয়া অহিদুল পলাতক রয়েছে। তারা দুজনেই পেশায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো বলে জানা গেছে।