বন্দরে বাবুর্চি শাহীন হত্যার ঘটনায় ছিনতাইকারী জুয়েল আটক

বন্দর প্রতিনিধি(আজকের নারায়নগঞ্জ):   বন্দরে বাবুর্চি শাহীন মাতব্বর (৪০) হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে হাবিব উল্ল্যাহ জুয়েল (২৮) নামের এক ছিনতাইকারিকে আটক করেছে ধামগড় ফাঁড়ী পুলিশ।  আটকৃত ছিনতাইকারি হাবিব উল্ল্যাহ জুয়েল বন্দর থানার সোনাচরা এলাকার মোঃ হোসেন মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার(৯ অক্টোবর) ভোরে বন্দর উপজেলার মনারবাড়ীস্থ তালতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরন করেছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রকৃত গটনাটি জানা যাবে।

প্রসঙ্গত, মামলার বাদীর বড় ভাই শাহীন মাতব্বর বন্দর থানার ১৯নং ওয়ার্ডের মদনগঞ্জ লক্ষারচর এলাকার মনির মিয়ার বাড়ীতে দীর্ঘ দিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে মদনগঞ্জস্থ বসুন্ধরা সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বাবুচৃী চাকুরী করে আসছেন। গত ৭ অক্টোবর বুধবার বড় ভাই শাহীন মাতব্বর অফিস থেকে বের হয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানাধীন দেউলভোগ এলাকায় ফুফাত ভাই হাফিজুলের বাড়ীতে বেড়াতে যায়। ওই দিন ফুফাত ভাইয়ের সাথে দেখা করে রাত সাড়ে ১১টায় বড় ভাই শাহীন মাতব্বর তার ব্যবহারকৃত মোটর সাইকেল নারায়ণগঞ্জ হ ১১-১৪৫৭ যোগে মদনগঞ্জে ভাড়াটিয়া বাড়ীতে আসার জন্য রওনা হয। পরে ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ২টায় বন্দর উপজেলার মদনপুর টু মদনগঞ্জ সড়কের মনারবাড়ীস্থ তালতলা নামক স্থানে পৌছলে অজ্ঞাত নামা ছিনতাইকারিরা রশী দিয়া টান দিলে আমার ভাই চলন্ত মটর সাইকেল থেকে ছিটকে পরে গুরুত্বর আহত হয়। পরে আমার ভাইকে হত্যার ভয় দেখিয়ে তার ব্যবহারকৃত মটর সাইকেল, ১টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫’শ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ওই সময় আমার ভাইয়ের ডাক চিৎকারে থানার টহররত পুলিশ এগিয়ে এসে আমার ভাইকে উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পতে তার মৃত্যু হয়। নিহত শাহীন মাতব্বর পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকান্দী থানার বালিপাড়া গ্রামের সুলতান মাতবরের ছেলে বলে জানা গেছে।