সুযোগ পেয়েও কেন আমরা মুখ খুলছি না?- প্রশ্ন সেলিম ওসমানের

স্টাফ রিপোর্টার (আজকেরনারায়নগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি এ কে এম সেলিম ওসমান বলেছেন, আজকে আপনাদের কাছে আমার কিছু চাওয়া থাকতেই পারে। আগামী নির্বাচন কার নির্বাচন হবে?

আবারো কি রাজাকারের গাড়িতে পতাকা ওঠানো হবে? আবারো কি আমাদের মুখ বন্ধ হয়ে যাবে? মুখ খোলার সুযোগ পেয়েও কেন আমরা মুখ খুলছি না? আমি আপনাদের কাছে আবেদন রাখছি।

আমি একজন সংসদ সদস্য হয়েও শহরের কোন কার্যক্রম আমি করতে পারবো না। শুধুমাত্র স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা এছাড়া সংসদ সদস্যের আর কোন কাজ নাই।

সোমবার (১৩ আগস্ট) দুপুুরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আয়োজনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছে কোন দল বড় নয়, কোন সরকার বড় নয়। শুধু একটাই চাহিদা আবারো যেন মুক্তিযুদ্ধের সরকার যেন এদেশে আসে। আর সেই সরকার কার মাধ্যমে চাই? সেটা কেবল জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে সরকার চাই। আমরা বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনার সরকার আরেকবার আসলে দেশ আরো ২৫ বছর এগিয়ে যাবে। আমরা হয়তো তখন এখানে থাকবো না। কিন্তু আমাদের প্রজন্মরা মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস তারা চিরজীবন বহন করবে।
তিনি উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি বুড়া হয়ে যান তাহলে এইটাকে স্কুল বানায়ে দেন। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মরা এখানে বসবে।

নারায়ণগঞ্জে যারা ভুল করে তাদের ভুল ধরতে হবে। কোথায় ভুল কোথায় অন্যায় এইটাই না জানি তাহলে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন কেমনে করবেন? ২১ বছর মুখের মধ্যে তখন স্কচটেপ লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল ভুলকে ভুল বলতে পারি নাই। জয় বাংলা বলতে পারি নাই। এখন অসুস্থ হলে ওষুধটা অন্তত খেতে পারেন সে ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন।

আজকে আমরা একটা জায়গায় বসার জায়গা পেয়েছি। এক সময় আমরা রাস্তায় বসেও কাজ করতে পারি নি। এখন এই সুযোগ সুবিধা ভোগ করে যদি মাথা উচু করে কথা বলতেই না পারলাম তাহলে কেন এই বিল্ডিং কেন এতো আন্দোলন, কেন এতো কথা?

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, যুদ্ধাকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামিউল্লাহ, শাহজাহান জুলহাস ভূইয়া, আব্দুল মতিন, আব্দুল লতিফ, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ প্রমুখ।