বাইশে শ্রাবন

 

শ্রাবন আকাশে ঘনকালো মেঘপুঞ্জ
ঘুম ভাঙল একটু দেরিতে
রোজকার মত ছাদে এলাম ;
আধো আলো আধো ছায়া
মেঘলা আকাশ।
উর্দ্ধাকাশে দৃষ্টি দিলে
কত ছোট মনে হয় নিজেকে
এই মহাবিশ্বে ।
অফুরন্ত ঐশ্বর্য ছড়িয়ে আছে
প্রকৃতির সবখানে।
আমরা কলহ করে প্রকাশ করি
নিজের ক্ষুদ্রতাকে।

আজ বাইশে শ্রাবন
কবিগুরু দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে
গেছেন চলে অনাদিকালে
এই দিনে।
তাঁর চলে যাওয়া হৃদয়ে বেজেছে।
কি লিখব তোমাকে স্মরণ করে ?
তুমি যে সবই লিখে গেছ
বাকি কিছু রাখো নাই আমাদের তরে।
তোমার সুবিশাল কৃর্তির কাছে মাথা
নত করি , হে কবি।
চির স্মরণীয় বরনীয় হে বিশ্বকবি।
আজকের দিনে অঞ্জলি ভরি তোমার
তরে রজণীগন্ধার সৌরভ ভরে।

রবির মত দ্বীপ্ত তুমি রবি জনমে জনমে
তোমার গান শোনার ভাগ্য যেন হয় সকলের
সুরের ঝরণাতলে নিত্য স্নাত সকাল-সন্ধ্যা বেলা
শ্রাবনের গান শুনি বৃষ্টি ধারায়।
” মন মোর মেঘের সঙ্গী, উড়ে চলে দিগ্ দিগন্তের
পানে। নিঃসীম শূন্যে শ্রাবণবর্ষণ সঙ্গীতে ;
রিমিঝিম রিমিঝিম রিমিঝিম।”