৮০ লাখ ডলার পাচারঃ ফালুসহ ৭ ব্যবসায়ীকে দুদকে তলব

আজকের নারায়নগঞ্জ ডেস্কঃ  দুবাইয়ে আট মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ সাত ব্যবসায়ীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

৬ আগস্ট, সোমবার সাত ব্যবসায়ীর কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। বণিক বার্তার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি নেতা ফালু ছাড়া অন্য ব্যবসায়ীরা হলেন—আরএকে পেইন্টস ও আশালয় হাউজিংয়ের পরিচালক এসএকে একরামুজ্জামান, তার ছেলে আরএকে পেইন্টস ও আরএকে কনজিউমার প্রোডাক্টসের পরিচালক কামার উজ জামান, আরএকে পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক মাকসুদুল করিম।

এ ছাড়াও রয়েছেন—আরএকে সিরামিকসের স্বতন্ত্র পরিচালক ফাহিমুল হক, স্টার সিরামিকসের পরিচালক প্রতিমা সরকার এবং ঝুলপার বাংলাদেশ লিমিটেড ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান। অফশোর কোম্পানি খুলে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে দুবাইয়ে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

দুদকের চিঠিতে ১৩ আগস্ট সকালে মাকসুদুল করিম, ফাহিমুল হক ও প্রতিমা সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। আর ১৪ আগস্ট সকাল ১০টায় হাজির হতে বলা হয়েছে মোসাদ্দেক আলী ফালু, এসএকে একরামুজ্জামান, কামার উজ জামান ও সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামানকে।

একই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রবিবার পৃথক এক নোটিশ পাঠানো হয়েছে আরএকে কনজিউমার প্রোডাক্টসের দুই পরিচালক মোহাম্মদ আমির হোসেন ও এমএ মালেক, রোজা প্রোপার্টিজের পরিচালক আশফাক উদ্দিন আহমেদ এবং আরএকে পেইন্টস ও আরএকে ক্যাপিটাল লিমিটেডের পরিচালক শায়লিন জামান আকবরকে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী ১২ আগস্ট দুদকে হাজির হতে বলা হয়।

দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা ১১ জনের মধ্যে ফাহিমুল হক ও প্রতিমা সরকার ছাড়া অন্য ৯ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাও চেয়েছে দুদক। তারা যাতে দেশ ছেড়ে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে গত বৃহস্পতিবার ইমিগ্রেশন বিভাগে এক চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।