ছাত্র আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণ এখন বিএনপি-জামায়াতের হাতে – শাহ নিজাম

নগর সংবাদ(আজকের নারায়নগঞ্জ):    কোমলমতি শিশুরা আমাদের ট্রাফিক সিস্টেমকে শৃঙ্খলায় আনতে যে সুশৃঙ্খল আন্দোলন গড়ে তুলেছিলো তা প্রশংসার দাবিদার। এর মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিলো।  এমন মন্তব্য করে আক্ষেপ নিয়ে

মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ্ নিজাম বলেছেন,  দুঃখের বিষয় ছাত্রসমাজের সে সুন্দর আন্দোলনটির নিয়ন্ত্রণ এখন আর ছাত্রদের মাঝে নেই। এটির নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিএনপি-জামায়াতের হাতে। ছাত্রদের এ আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য সাড়ে ১১ হাজার স্কুল ড্রেস এবং আইডি কার্ড তৈরী করা হয়েছে যাতে ছাত্র সেজে আন্দোলনে নাশকতা তৈরীর জন্য। শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য অপশক্তির এই অপচেষ্টা।

রোববার (৫ আগষ্ট) চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের আয়োজনে ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শাহ্ নিজাম আরো বলেন, সবাইকে অনুরোধ করবো, ছাত্রদের এ মহতি উদ্যেগ নস্যাৎ করার জন্য যারা মাঠে নেমেছে সেসব দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করুন। গতকালও একটি গুজব তৈরী করে আওয়ামীলীগের অফিসে হামলা চালনা করা হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে আসল ঘটনা জনসম্মুখে বলেছে। এটা স্পষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে গিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিএনপি নেতা আমির খসরুর রেকর্ডিং বক্তব্যে পরিষ্কার ছাত্রদের কিভাবে তারা মাঠে নামানোর চেষ্টা করছে। সেই বক্তব্যে তিনি ছাত্রবেশীদের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা বন্ধ করে দেয়ার জন্য।

 

তিনি বলেন, কোন চালক যদি লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালিয়ে মানুষ মারে সেটাকে দূর্ঘটনা বলা যাবে না। সেটি নিঃসন্দেহে হত্যাকান্ড। আমরাও এসব হত্যাকান্ডের বিচার চাই। আর তাই কোমলমতি শিশুদের আন্দোলনের সাথে স্বরাষ্টমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী একাত্মতা প্রকাশ করেছে। বতর্মানে প্রশাসন পুলিশ সপ্তাহ পালন করছে। লাইসেন্সবিহীনভাবে কোন গাড়ি চলাচল করতে দিচ্ছে না পুলিশ। গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে। তবে তার ভাষা হবে সুন্দর, সাবলীল। কারো প্ররোচণায় সুন্দর আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়া যাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি সুন্দর, নিরাপদ এবং আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বাবু চন্দনশীল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত শহীদ মো.বাদল, মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, মহানরগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানী, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাফেল প্রধান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবীবুর রহমান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক বিন্দু প্রমুখ।