মডেল কন্যা তানিশা খানের বয়ফ্রেন্ড প্রয়াত বাপ্পি !

সদর (আজকের নারায়নগঞ্জ):  নারায়ণগঞ্জে নিহত মডেল কন্যা মাহমুদা আক্তার ওরফে তানিশা খানের প্রয়াত বয়ফ্রেন্ডের খোঁজ পেয়েছে পুলিশ।  তার নাম সাগর ইসলাম বাপ্পি (৩৬)।  তবে সাগরের পরিবারের দাবী অনুযায়ী বাপ্পি ৩১ জুলাই স্ট্রোক করে মারা গেছে। সে মুন্সিগঞ্জের মীরকাদিম পৌরসভার রিকাবীবাজার পুর্বপাড়া এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে। বাপ্পি বিবাহিত ছিল। তার স্ত্রী ও সন্তান মুন্সীগঞ্জে থাকে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকার একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে মডেল ও অভিনেত্রী মাহমুদা আক্তার হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা আক্কাস আলী ৩১ জুলাই মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতজনদের আসামী করা হয়েছে।

গত ঈদের পর মাহমুদা ও বাপ্পি গোপনে নারায়ণগঞ্জ শহরের গোগনগরের আলামিন নগর এলাকার মোহাম্মদ আলী আকবরের বাড়ির একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। সেখানে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করে। ৩০ জুলাই রাতে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙ্গে পুলিশ মাহমুদার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করার একদিনের মাথায় মঙ্গলবার (৩১) জুলাই বাপ্পি মারা যায়। পরিবারের দাবী সে স্টোক করে মারা গেছে। অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন বাপ্পি আত্মহত্যা করেছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত মাহমুদার বয়ফ্রেন্ডকে সনাক্ত করা গেছে। কিন্তু আমরা পরবর্তীতে জানতে পারলাম মাহমুদার ওই বয়ফ্রেন্ড নাকি মারা গেছে। আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য এবং সে কিভাবে মারা গেছে তা জানতে থানা থেকে লোক পাঠাবো মুন্সিগঞ্জে।
মুন্সিগঞ্জের রামপাল (হাতিমারা) তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জিল্লুর রহমান জানান, আমরা শুনেছি রিকাবীবাজার পুর্বপাড়ায় বাপ্পি নামে একজন স্ট্রোক করে নাকি মারা গেছে। তবে এর বেশি কিছু তিনি জানাতে পারেননি।
এদিকে বাপ্পির পরিবার ও স্ত্রী জানতো না বাপ্পি নারায়ণগঞ্জে ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে অন্য নারী সঙ্গে থাকতো। তারা জানতো সে কাজের প্রয়োজনে মাঝে মধ্যে প্রতিষ্ঠানে রাত্রিযাপন করতো।

প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ৩০ জুলাই গোগনগরে  ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙ্গে নিহত মাহমুদা ওরফে তানিশার লাশ উদ্ধারের পর ৩১ জুলাই বাপ্পির মৃত্যুর ঘটনা একই সুতোয় গাথাঁ কিনা।