বন্দরে অপহৃত ২ ছাত্রীকে শিবু মার্কেটে উদ্ধার,আটক ২ অপহরনকারী

বন্দর(আজকের নারায়নগঞ্জ):  বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ২ ছাত্রীকে অপহরন ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ব্যাপারে অপহৃত স্কুল ছাত্রী বড় ভাই শুভ বর্মন বাদী হয়ে বন্দর থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা নং- ৬৪(৭)১৮।

এ ঘটনায় পুলিশ অপহৃত স্কুল ছাত্রী শ্রাবন্তী (১৫) ও পুস্পিতা (১৫)কে শিবু মার্কেট এলাকা থেকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী রিয়াদ (২১) ও মাইনুল (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, বন্দর থানার ২৩নং ওয়ার্ডস্থ একরামপুর জেলেপাড়া এলাকার রতন বর্মন মিয়ার মেয়ে শ্রাবন্তী বর্মন বন্দর র্গালস স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে আসচ্ছে।

প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৮ জুলাই বেলা ১১টায় শ্রাবন্তী স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর বাড়ীতে ফিরে আসেনি। স্কুল ছুটি শেষে শ্রাবন্তী বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাকে খোজাখুজি করে তার আত্মীয় স্বজনরা।

পরে এলাকাবাসীর মাধ্যমে অপহৃত স্কুল ছাত্রী শ্রাবন্তী আত্মীয় স্বজনরা জানতে পারে একই এলাকার বাদল বর্মনের মেয়ে একই শ্রেণীর ছাত্রী পুষ্পিতা সেও বাড়ীতে যথা সময়ে ফিরে আসেনি।

পরবর্তীতে এলাকাবাসী মাধ্যমে জানতে পারি গত ২৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টায় বন্দর উইলসন রোড এলাকা থেকে স্কুল ছাত্রী শ্রাবন্তী ও পুষ্পিতাকে ফুসলিয়ে অপহরন করে নিয়ে যায় ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ ওয়াবদারপুলস্থ আলাউদ্দিন মিয়ার ভাড়াটিয়া মজিবুর রহমানের ছেলে রায়হান ওরফে আবির, একই থানার কুতুবপুর সালাম মেম্বারের বাড়ী ভাড়াটিয়া জসিমউদ্দিন মিয়ার ছেলে রিয়াদ ও ফতুল্লা লামাপাড়া এলাকার আলমগীর মিয়া বাড়ী ভাড়াটিয়া হেলাল উদ্দিন মিয়ার ছেলে মাইনুলসহ কয়েকজন।

এ ব্যাপারে অপহৃত স্কুল ছাত্রী ভাই বন্দর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ২৯ জুলাই বিকেলে অপহৃত ২ স্কুল ছাত্রীকে শিবু মার্কেট এলাকা থেকে উদ্ধার করে।

অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ রিয়াদ ও মাইনুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে যায় রায়হান ওরফে আবির নামে অপর অপহরণকারী।