বরিশাল ও রাজশাহীতে নৌকার জয়

সারাবাংলা(আজকের নারায়নগঞ্জ):   বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন।

সাদিক আবদুল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৮০১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪১ ভোট।

বরিশালে মোট কেন্দ্র ১২৩টি। এর মধ্যে অনিয়মের অভিযোগে ১৫টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়েছে এবং একটি কেন্দ্রে বাতিল হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সাদিক বাদে বিএনপির সরওয়ারসহ অন্য প্রার্থীরা অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

সেখানে মোট ভোটার ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

একজন মেয়র, ৩০ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ১০ জন নারী কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোট দেন ভোটাররা।

বরিশালে ১১টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়।

২০০২ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু হয়।

 

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি প্রায় ৮৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে।

রাজশাহীর ১৩৮টি কেন্দ্রের সবগুলোরই ফলাফলে লিটন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৯৪ ভোট। বুলবুল পান ৭৮ হাজার ৪৪২ ভোট।

সোমবার সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর ভোট ডাকাতির অভিযোগ তোলেন বিএনপি প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সমস্যার সমাধান না হলে ভোট দেবেন না তিনি। তবে নির্বাচন বর্জন করবেন না।

শেষ পর্যন্ত বুলবুল ভোটই দেননি।

বিকেল চারটার দিকে শেষ হয় ভোটগ্রহণ। তারপরে শুরু হয় ভোটগণনা। তিন লাখ আঠারো হাজার ভোটারের রাজশাহী মহানগরীতে ভোটকেন্দ্র ছিল ১৩৮টি।