ফতুল্লায়  একই দিনে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ):   ফতুল্লায়  একই দিনে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ জুলাই) থানার তিনটি এলাকা থেকে পৃথক সময়ে এই লাশ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

এরমধ্যে দু’জন স্ত্রী’র সাথে অভিমাণ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন এবং অপর মরদেহটি ফতুল্লার জালাল হাজি স্পিনিং মিল সংলগ্ন খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেন ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মুজিবর রহমান।

তিনি জানান, মাহমুদপুর এলাকার আলী আহম্মেদর ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে রায়হান (৪৫) নামে এক ব্যক্তির ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। সে পেশায় একজন রাহমিস্ত্রি। তাঁর পিতার নাম গোলাম মোস্তফা। স্ত্রী সীমা বেগমের সাথে অভিমাণ করে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করে।

এছাড়া হাজিগঞ্জ মুলিবাঁশ এলাকার জামাল মিয়ার ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে সুমন (২৪) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। সে পেশায় একজন গার্মেন্টকর্মী। তাঁর পিতার নাম হারুনুর রশিদ। গত ২০ দিন আগে সুমনের সাথে ঝগড়া করে তাঁর স্ত্রী সাথী আক্তার শিশুপুত্র রেখে বাপের বাড়ি চলে যায়। এ ঘটনায় রাগে-ক্ষোভে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

অপরদিকে সন্তোষ চন্দ্র (৬০) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে হাজী জালাউদ্দিন স্পিনিং মিল সংলগ্ন খাল থেকে। কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার ধামতি গ্রামে তাঁর বাড়ি এবং ফতুল্লার পূর্ব ইসদাইর এলাকার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে সে।

মৃতের ছেলে মৃতের ছেলে কানাই চন্দ্রের বরাত দিয়ে মুজিবুর রহমান জানান, ২৯ জুলাই সন্ধ্যা থেকে সে নিখোঁজ ছিল। ব্রেইনস্ট্রোক করার পর থেকে তাঁর মুস্তিস্কবিকৃতি ঘটে। তবে প্রতিদিন তিনি ইসদাইর বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করে সময় মতো আবার বাড়ি চলে যেতো। ওইদিন তিনি আর বাড়ি ফিরেনি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পায়নি তাঁর পরিবার। পরে লাশ উদ্ধারের খবর লোকমুখে শুনলে মৃতের ছেলে কানাই চন্দ্র এসে তাঁর পিতার লাশ শনাক্ত করেন।

মৃতের বাড়ী কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার ধামতি গ্রামে। তারা ফতুল্লার পূর্ব ইসদাইর এলাকায় বসবাস করে এবং বাজারে সেলুনের দোকান চালায়।