লক্ষনখোলায় জোড়াখুন ও ডাকাতিঃ ৭ ডাকাত গ্রেফতার,লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার

আজকের নারায়নগঞ্জ:   বন্দরের লক্ষনখোলায় দুই নৈশপ্রহরী হত্যার পর ডাকাতির ঘটনায় দলের প্রধান মোক্তার হোসেন (২২)সহ ৭ ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। আটক অন্যরা হলেন, রনি হোসেন (২০), রানা ফকির (২১), জাহিদুল শরীফ ওরফে তাহিদুল ওরফে তৌহিদুল (২৪), জসিম ওরফে মুন্না (২৬) ও মো. শাওন রানা (২১)।
রোববার (২৯ জুলাই) বিকেল থেকে ঢাকার মহাখালি, যাত্রাবাড়ি, ডেমরা, যয়দেবপুর ও সোনারগাঁ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ৭০ হাজার টাকার মূল্যমানের ব্যাটারী, ৪টি সীম, ১টি ভাঙ্গা মোবাইল এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ গাড়ি ও যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ডাকাতির মালামাল ক্রয় করার অপরাধে আতিকুর রহমান (২৫) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়।
সোমবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আটকৃতরা আন্তঃজিলা ডাকাত দলের সদস্য। তাঁরা মূলত মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে থাকে। এরমধ্যে ঈদুল ফিতরের ৭ থেকে ৮দিন পর বন্দরের লক্ষ্মণখোলা মাদরাসা বাজারে এই চক্রটি ডাকাতি করতে এসে নৈশপ্রহরীদের তৎপরতায় ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। এ ঘটনায় দুই নৈশপ্রহরীর প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলো তাঁরা।

পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার দিন ২১ জুলাই রাত ২ টারদিকে এই চক্রটির ১১ সদস্য লক্ষ্মণখোলা বাজারে এসে প্রথমেই দুই নৈশপ্রহরী রায়হান উদ্দিন ও মোতালেবকে হাত পা বেঁধে ইট দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে খুন করে। এরপরই তাঁরা সদর্পে বিসমিল্লাহ ব্যাটারী, সততা ব্যাটারী মেলা ও সততা ব্যাটারী সার্ভিসিংয়ে ডাকাতি করে।