মাকে গলা কেটে হত্যার পর বাবা ও ভাইকে কুপিয়ে জখম

সারাবাংলা(আজকের নারায়নগঞ্জ):  নেশার টাকা না দেওয়ায় ঢাকার ধামরাইয়ে মাকে গলা কেটে হত্যার পর বাবা ও ভাইকে কুপিয়ে জখম করেছে এক যুবক। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে রাইহানকে (২১) আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।

সোমবার ভোর রাতে ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের খড়ারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হতাহতরা হলেন- নিহত মা জামিনা বেগম (৫৮), আহত বাবা আবুল বাসেদ (৬২) ও বড় ভাই রতন মিয়া (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, খরারচর গ্রামের আব্দুল বাছের মিয়ার ছেলে রায়হান বছর দুই আগে স্থানীয় খরারচর আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় হঠাৎ মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। মাঝে মধ্যে আবার স্বাভাবিক আচরণও করে। সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় রায়হান প্রথমে তার মা জামিনা বেগমকে (৫৫) দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে।

এ সময় চিৎকার শুনে তার বৃদ্ধ বাবা বাছের মিয়া ও বড় ভাই রতন মিয়া ঘুম থেকে উঠে রায়হানকে থামাতে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় বৃদ্ধ বাছের মিয়া ও তার ছেলে রতন মিয়াকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় ছেলে রায়হানকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম শামসুদ্দিন মিন্টু জানান, আটককৃত রায়হান অনেক আগে মাদ্রাসায় লেখা পড়া করতো। কি কারণে সে ঘটনা ঘটালো কারুই বোধগম্য হয়না।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক এস আই কামাল হোসেন জানান, আমরা সংবাদ পাওয়ার সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে রায়হানকে আটক ও লাশ উদ্ধার করে থানা নিয়ে এসেছি।