শিরোনামঃ “সম্বিত যদি ফিরে”

 

কলমেঃ ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট

 

ওহে জাগ্রত বিবেক! আজো বেলা-অবেলা- কালবেলায়
ঠায় দাঁড়িয়ে আছি পথেরই বাঁকে শীত- গ্রীষ্ম- বরষায়
অস্তিত্ব বিলীন যেন ভরাট নদীর মতো তোমার প্রতীক্ষায়
রিক্ত হস্তে অভুক্ত আমি উদভ্রান্ত হয়ে আছি অপেক্ষায়।
.
আধুনিকায়নের ইন্দ্র জালে বেমালুম ভুলেছো যে আমায়
অসময়ের বুক ফাঁটা যন্ত্রণা, প্রেম অনল আনন্দ বেদনায়
কত লেখনীর রঙিন খামে জমে যেতো কানায় কানায়
আমি সেই ডাকবাক্স! চিনেছো কি আজ এই অবেলায়?
.
প্রাণোজ্জল উচ্ছ্বাসে ঝলসে যাওয়া পিঞ্জরে গাথা মোর
মহাকালের পথচলা মহাবিশ্বের অজ্ঞাত সুরতরঙ্গের ঘোর
কত প্রাণের চলার স্পন্দন এ বুকে বিস্ময়ে ধারণ করে যাই
আগেও দাঁড়িয়ে ছিলাম, আজো আছি শুধু গণজোয়ার নাই।
.
এতো বিমুখ- অবহেলা সম অপমান সইতে না পারে কেউ
ইচ্ছে করে ছিন্ন করি যত মোহ- চক্র হৃদয়ে বেদনার ঢেউ
এখন বিকল্প পেয়েছো তাই বলো, “ফোন দিও নিরালায়”
আগে ঠিকই বলতে, “মাথা খাও পত্র দিও- ভুলনা আমায়”
.
পারিনা আর কালের স্বাক্ষী- সীমানা পিলারের ন্যায় দাঁড়াতে
একাকিত্বের দহনে অঙ্গার আর প্রতীক্ষা নয়, চাই হারাতে
চণ্ডীদাস দাঁড়িয়ে ছিল পাবার আশে, আমি কোন আশায়?
আর কত প্রতীক্ষা- এই প্রাণহীন বালুচরে ! কিসের নেশায়?
.
সমস্ত সৌরভ বিলিয়ে স্মৃতি অম্লান, আমি নিশ্চিহ্ন হবো
তোমাদের ক্যানভাস হোক রঙিন, আমি সাদাকালোয় রবো
আমার জীবনের গল্পকথা তোমাদের ক্যানভাসে একটু এঁকো
সম্বিত যদি ফেরে দু’ফোটা অশ্রু দিও! আমাকে ভুলে থেকো।
.
নাবিহা ফ্যাশন হাউস
ফরিদপুর, জহুরনগর, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা।