নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে গতিরোধক না থাকায় ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা

 

মাহবুবুজ্জামান সেতু, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় ( নওগাঁ-রাজশাহী) মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গতিরোধক এবং ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় ঘটছে অহরহ দূর্ঘটনা।

অপরদিকে, গতিরোধক না থাকায় দূর্ঘটনা দিনদিন বেড়েই চলছে। উপজেলার জলছাত্র মোড় থেকে সাবাইহাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান যেমন বর্দ্দপুর, ভোলাবাজার, মজনু ম্যাকার, চেয়ারম্যানের মোড়, জ্যালাঘাটি, পঞ্চমীতলা, সতীহাট, ফেরিঘাট, বিজয়পুর, কুসুম্বা, হাজী গোবিন্দপুর মোড়, দেলুয়াবাড়ি, জয়বাংলা মোড়, সাবাইহাট ছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গতিরোধক স্থাপন করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

গতিরোধক না থাকায় প্রতিদিনই সড়ক দূর্ঘটনা বাড়ছে। অথচ কোন কোন জায়গায় বিনাপ্রয়োজনে একাধিক গতিরোধক স্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে সেই সড়ক দিয়ে ছোট যানবাহন চলাচলে প্রচন্ড সমস্যা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক দিয়ে গাড়ি-ঘোড়া চলাচলের ক্ষেত্রে রাস্তাটি দিনদিন ব্যস্ততম সড়কে পরিনত হয়ে ওঠেছে। প্রতিদিনই সড়কটি দিয়ে দিন-রাত ২৪ ঘন্টায় হাজার-হাজার গাড়ি চলাচল করে থাকে।

কিন্তু সড়কটির একাধিক মোড়ে পার্শ্ব রাস্তা, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিনই এসব স্থানে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা।

মান্দা উপজেলার উপর দিয়ে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক বা অন্যান্য পার্শ্ব রাস্তার মোড়ে যে সকল স্থানে গতিরোধক একান্ত প্রয়োজন তা হলো জলছাত্র, ভোলাবাজার, সতীহাট, সাতবাড়িয়া,ফেরিঘাট, কুসুম্বা, দেলুয়াবাড়ি বাসষ্ট্যান্ড, উত্তরা ডিগ্রী কলেজের সামনে, জয়বাংলা মোড়ে, সাবাইহাট বাসষ্ট্যাডসহ নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে।

এ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে জরুরী গতিরোধক দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন পথচারী ও এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক সংস্কার এবং বর্ধিত করার সময় রাস্তাটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পূর্বে নির্মাণকৃত স্পিড ব্রেকার (গতিরোধক) গুলো তুলে ফেলা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পূণরায় নির্মাণ না করায় ঘটছে অনাকাঙ্খিত সড়ক দূর্ঘটনা।

স্পিড ব্রেকার না থাকায় এবং ওই সড়ক দিয়ে বেপোরোয়া গতিতে অনুমোদন বিহীন ট্রাক্টর, নসিমন, করিমন, ভুটভুটি, অটোচার্জার ভ্যানসহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচলে প্রচন্ড সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

এছাড়াও জেলা এবং উপজেলাস্থ সড়কগুলোতে জনসাধারণের জানমাল রক্ষার জন্য অতিদ্রুত গতিরোধক দেয়ার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের আশুদৃষ্টি কামনা করছেন উপজেলার সকল শ্রেণী-পেশার লোকজন।