বন্দরে আংশকা জনক হারে বেড়েছে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা

 

বন্দর(আজকের নারায়নগঞ্জ):  বন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি জুলাই মাসে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা আংশকা জনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন কথা জানিয়েছে বন্দরের সচেতন মহল।

তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, গত ১ জুলাই থেকে ২১ জুলাই মধ্যে বন্দরে লক্ষণখোলা মাদ্রাসা স্ট্যান্ড মাকের্টে রায়হান উদ্দিন ও আব্দুল মোতালেব নামে ২জন নৈশ্য প্রহরীকে হত্যা করে ৩টি ব্যাটারীর দোকানের তালা ভেঙ্গে প্রায় ২৭ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

অপরদিকে সোমবার গভীর রাতে বন্দর থানার ৫০ গজ দূরে দেলোয়ার ষ্টোর নামে এক দোকানে ক্যাশ বাক্স থেকে ১৪’শ ৭৫ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাত চোরের দল।

এছাড়াও বন্দরের বেশ কিছু এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মত একাধিক ঘটনার সংবাদ পাওয়া গেছে। কয়েক স্থানে চুরির ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এসব মামলার প্রকৃত আসামীদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। সে সাথে পুলিশ চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়।

পকেট মারের খপ্পরে পরে মোবাইল মানিব্যাগ হারানো ব্যক্তিরা হলেন,একারামপুর এলাকার জাকির,বন্দর সল্পেরচক এলাকার হাসেম মিয়া, প্রান কোম্পানীর ডেলিভারীম্যান সুমন, ব্যবসায়ী রহিম মিয়া, সোনারগাঁও বারদী এলাকার শাহীন, আমিন আবাসিক এলাকার শান্ত, পলাশ, রহিম, সোনাকান্দা এলাকার ফজল মিয়া, একরামপুর এলাকার মিলন, বন্দর জামাইপাড়া এলাকার কাশেম মোল্লা, বন্দর রেললাইন এলাকার হাছান ও রুপালী আবাসিক এলাকার সীমান্ত।

চুরি হওয়া বাড়ি ও দোকান গুলো হচ্ছে বন্দর বাজারে আলী জেনারেল ষ্টোর,বন্দর বাজারে মোবাইল দোকানে, বন্দর থানার এএস আই জালাল হোসেনের বাসায়, বন্দর শাহী মসজিদ’স্থ ব্যবসায়ী রাইসুল ইসলাম, বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার ৪নং গলির গফুর মিয়া, রুপালী আবাসিক এলাকার হোসেন মিয়ার বাড়ি,বন্দর বাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন ম্যাক্স ডিজিটাল কম্পিউটার সেন্টারে।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার ফরিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান,সম্প্রতি বন্দরে লক্ষনখোলা এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ছাড়া বন্দরে আইন শৃঙ্খলা ভালো।

বন্দরে ২ নৈশ প্রহরীকে হত্যা পর ডাকাতি ঘটনায় তদন্তে ডিবি ও র‌্যাব ১১ এর পাশাপাশি পুলিশও মাঠে রয়েছে। আমরা ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যহত রেখেছি এবং ভিডিও ফুটেজ দেখা ডাকাতদের সনাক্ত করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি।

বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম শাহীন মন্ডল বলেন, চুরি ও পকেটমারের ঘটনার একাধিক সংবাদ আমার কাছে এসেছে। বন্দর থানা এলাকার সকল মানুষের জানমাল নিরাপদে রাখার লক্ষে টহল পুলিশকে জোরালো করা হয়েছে এবং অপরাধিদের যত দ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় আনা হবে।