বন্দরের আ’লীগ নেতা লাঞ্ছিত : আরজু ভূঁইয়া’র তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ

বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবেদ হোসেনকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আরজু রহমান ভূঁইয়া।

রোববার গণমাধ্যমকে দেয়া এক বিবৃতিতে আরজু ভূঁইয়া জানান, আবেদ হোসেন একজন সম্মানীত ব্যক্তি এবং আওয়ামী লীগের একটি গুরুত্বপর্ণূ পদে অধিষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক সানাউল্লাহ সানুর ছোট ভাই ফকিরউল্লাহ ফকির আওয়ামী লীগ নেতা আবেদ হোসেনেকে লাঞ্ছিত করার সাহস কিভাবে দেখায় তা আমার বোধগম্য নয়।

ফকিরউল্লাহ রাজনৈতিকভাবে প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে এবং বড় ভাইয়ের দলীয় পরিচয়কে পূজি করে সে আবেদ হোসেনের উপর এ ঘৃণ্য হামলা চালানোর দুঃসাহস দেখিয়েছে বলে আমি মনে করি। বিগত বহু বছর ধরে বন্দরে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মী দ্বারা হামলা ও অবহেলার শিকার হচ্ছেন।

দিনের পর দিন জাতীয় পার্টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে এবং আওয়ামী লীগের ক্ষতি করতে নানান ষড়যন্ত্রমূলক কার্য্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় পার্টি যে ঘৃণ্য কর্মকান্ড করতে পারে তা আবেদের উপর হামলার মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।

আমি এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি এবং প্রশাসনকে অনুরোধ জানাব আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যাতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়।

উল্লেখ্য একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ফকিরউল্লাহ আবেদ হোসেনকে গালমন্দ করে এবং তিনি তার প্রতিবাদ করলে ফকির দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার হামলা চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সে প্রেক্ষিতে শনিবার আবেদ হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে ফকিরউল্লাহকে আসামী করে বন্দর থানায় ১টি মামলা রুজু হয় এবং সেদিনই ফকিরউল্লাহকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।