কুতুবপুর ইউপি কার্যালয়ে মাতৃদুগ্ধ সেবন কক্ষ উদ্বোধন ও স্কুলে বেঞ্চ বিতরন

ফতুল্লা(আজকের নারায়নগঞ্জ): শিশুর বিকাশে মাতৃদুগ্ধের প্রয়োজনীয়তা এবং ইউনিয়ন পরিষদের অভ্যন্তরে মাতৃদুগ্ধ সেবন কর্নার স্থাপনের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা  নাহিদা বারিক বলেছেন,ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে বিভিন্ন মায়েরা তাদের ছোট বাচ্চা নিয়ে আসেন। সেবাগ্রহী এই মায়েদের অনেকটা সময় এখানে অপেক্ষা করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোন মাতৃদুগ্ধ সেবনের স্থান না থাকায় সেবাগ্রহী এই মায়েদের শিশুরা ক্ষুধার্ত থাকে। এসব দিক বিবেচনা করে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে মাতৃদুগ্ধ কর্নার স্থাপন ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শিশু জন্মের পর মায়ের শাল দুধ বাচ্চার প্রথম টীকা” এবং “একটানা ২ বছর পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত” প্রতিপাদ্য বিষয়গুলোকে সামনে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থাপিত এই মাতৃদুগ্ধ সেবন কর্নারের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদে মাতৃদুগ্ধ সেবন কক্ষের শুভ উদ্বোধনসহ ঐ অঞ্চলের ১১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০০ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ করেন ইউএনও নাহিদা বারিক।

এসময় ইউএনও মাতৃদুগ্ধ সেবন কক্ষ যাতে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয় সেসব বিষয়ে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিকে কুতুবপুর ইউনিয়নের আওতাধীন ১১ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১০০ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ করা হয়। প্রতিটি স্কুলের এ বেঞ্চ তুলে দেয়া হয়। কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিটি স্কুলে বেঞ্চ গুলো পৌছে দেয়ার জন্য ব্যবস্থা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মাদবর, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জামান, হান্নানুর রহমান রঞ্জু, আমির হোসেন সাগর, আরজুদা বেগম খুকি, রাশিদা বেগম রাশু, অনামিকা হক প্রমুখ।