আয়কর মেলায় প্রথম দিনে উপচে পড়া ভিড়-আনন্দে কর দিচ্ছে করদাতারা

 

স্টাফ রিপোর্টার (আজকের নারায়নগঞ্জ): নারায়ণগঞ্জে আয়কর মেলায় প্রথম দিনে করদাতাদের উপচে পড়া ভিড়। করদাতার কোনো রকম জুট-জামেলা ছাড়াই কর দিচ্ছে আনন্দে। বিগত বছরের ন্যায় এবছরও নারায়ণগঞ্জ কর-অঞ্চল এর উদ্যোগে শুরু হয়েছে ৪ দিন ব্যাপি আয়কর মেলা।

আগামী রবিবার ( ১৭ অক্টোবর ) পযন্ত চলবে এ মেলা।

নারায়নগঞ্জ কর অঞ্চলের কমিশনার নাজমুল আলম করিম বলেন, আয়োজনের তুলনায় সকাল থেকে করদাতাদের অনেক বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে। এখানে কর দাতাদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। অনেকে আবার বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে নিয়ে কর দিতে এসেছেন। বিগত বছরের তুলনায় এই বছর শুরু থেকেই আমরা অনেক সাড়া পাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় জেলা কারাগারের বিপরীতে আমন্ত্রণ কনভেনশন সেন্টারে নারায়নগঞ্জ আয়কর মেলার ১ম দিনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। এদিন কমিশনার নাজমুল আলম করিম বেলুন, পায়রা উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন।

এর আগে ১৩ নভেম্বর দুপুর ১২ টায় নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের এমপি ও বিকেএমইএ’র সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেছিলেন।

নাজমুল আলম করিম বলেন, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। শনিবার ও রোববার পর্যন্ত মেলা চলবে। আশা করি, এই তিন দিন আজকের থেকে অনেক বেশি কর দাতাদের ভিড় দেখা যাবে এবং গতবারের চেয়ে এবার সম্মানিত কর দাতাদের অংশগ্রহন দিগুন হবে।

তিনি আরও বলেন, এখানে সেবা, তথ্য ও অনুসন্ধান, অনলাইন রির্টান গ্রহন, মহিলা-মুক্তিযুদ্ধা-প্রতিবন্ধী ও সিনিয়র সিটিজেন, সোনালী ও বেসিক ব্যাংক, প্রেস ও মিডিয়া, কাস্টমস এক্সাসাইজ ও ভ্যাট, ও সঞ্চয় ব্যুরো সংক্রান্ত পৃথক পৃথক বুথ রয়েছে। সেবাগ্রহীতারা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়ে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রেখে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেলার টার্গেট সম্পর্কে জানতে চাইলে নাজমুল আলম করিম বলেন, মেলায় সাধারনত কোনো টার্গেট থাকে না। টার্গেট আমাদের বাৎসরিক ভাবে থাকে। নারায়নগঞ্জে দুটি জেলা রয়েছে একটি নারায়নগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ। নারায়নগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ মিলে আমাদের টার্গেট রয়েছে ৮০৫ কোটি টাকা। সারাবছর আমাদের আয়করের কাজ চলতে থাকবে।

মেলার সেবা গ্রহীতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আয়কর প্রদানে তাদের কোনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। খুব সহজেই হয়ে যাচ্ছে। আগে অন্যদের দিয়ে কাজ করাতে হতো। এখন অনেকগুলো বুথ থাকায় আমাদের কাজগুলো তাড়াতাড়ি হচ্ছে। তাই আমরা এরকম সেবা পেয়ে খুশি।